সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা সফর, ১৪৪২ হিজরী
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

১৩ জেলার সাড়ে সাত কি.মি. বাঁধ ভেঙ্গেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান

১৩ জেলার সাড়ে সাত কি.মি. বাঁধ ভেঙ্গেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান
১৩ জেলার সাড়ে সাত কি.মি. বাঁধ ভেঙ্গেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, এমপি ব‌লে‌ছেন, ঘূর্ণিঝড় আম্পান দেশের ১৩ জেলার মোট ৮৪ টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙ্গেছে যার দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে সাত কি.মি.। যেকোন দুর্যোগের প্রস্তুতিতে শুধু উপকূলীয় এলাকার জন্যই ৫ হাজার ৫৫৭ কিলোমিটার বাঁধের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সুপার সাইক্লোন আম্পানে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে অন্তত ৮ থে‌কে ১০ ফুট বেশি উচ্চতায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে যা বিভিন্ন জেলার বেড়িবাঁধ- তীররক্ষা বাঁধকে কোথাও ভেঙ্গে বা কোথাও উপচে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলো আমরা চিহ্নিত করেছি।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সা‌ড়ে ১০ টার দি‌কে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দফত‌রে ঘূর্ণিঝড় আম্পান-এ ক্ষয়ক্ষ‌তি নি‌য়ে
এক জরুরী আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের মেরামত কাজ দ্রুত শুরু করার আশাবাদ ব্যাক্ত করে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, এমপি ব‌লেন, প সারাদেশে প্রায় ১৭ হাজার কি.মি. বাঁধ রয়েছে। দুর্যোগ প্রাকৃতিক তাই ঠেকানো যায় না তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় জান-মালের যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে। আক্রান্ত সকল জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ কর্মস্থলে আছেন। তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সহায়তায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করছেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলাম, বাপাউবো মহাপরিচালক এ এম আমিনুল হক, যুগ্মপ্রধান (পরিকল্পনা) মন্টু কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষের নদী ভাঙ্গনের কষ্ট লাঘবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মোট ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার ৩টি প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন আছে।