মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং, ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী
মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং

শরীয়তপুরে পণ্যমূল্য দ্বিগুন চাওয়ার অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের জরিমানা

শরীয়তপুরে পণ্যমূল্য দ্বিগুন চাওয়ার অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের জরিমানা

শরীয়তপুর জেলা শহরের পালং বাজারে এবি জেনারেল স্টোরে পণ্যমূল্য দ্বিগুন চাওয়ার অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে। জরিমানার টাকা আদায় করে অভিযোগকারীকে তাৎক্ষনিক ২৫ শতাংশ প্রদান করা হয়েছে। ১৪ জুন রোববার দুপুর ১২ টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে, চন্দ্রপুর এএইচপি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. হেমায়েত হোসেন সোনালী ব্যাংক শরীয়তপুর শাখায় আসেন। ব্যাংকে কার্যক্রম শেষে ব্যাংক সংলগ্ন এবি জেনারেল স্টোরে গিয়ে স্যানিটাইজার সেভলন (তরল) ক্রয় করতে চান। সেভলনের বোতলের গায়ে মূল্য লেখা ছিল ৪০ টাকা অথচ দোকানী বিপ্লব হোসেন মাদবর ক্রেতার কাছে সেভলনের মূল্য ৮০ টাকা দাবী করেন। এই নিয়ে দোকানী ও ক্রেতার মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। পরে ক্রেতা পালং মডেল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর জেলা কর্মকর্তাকে অবগত করেন। ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা এবি জেনারেল স্টোরে অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪০ ধারায় দোকানীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ আদায় করে অভিযোগকারীকে ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ৫০০ টাকা তাৎক্ষনিক প্রদান করেন।

এ সময় পালং মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত আশরাফুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক রূপুকর, জেলা ক্যাবের প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগকারী মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, এবি জেনারেল স্টোরে গিয়ে সেভলনের দাম জিজ্ঞাসা করি। দোকানদার আমার কাছে ৪০ টাকার সেভলনের দাম ৮০ টাকা দাবী করে। বিষয়টি আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। পুলিশ প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার প্রশাসন মিলে অভিযান চালিয়ে দোকানীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। জরিমানার টাকা থেকে আমাকে ২৫ শতাংশ অর্থাৎ নগদ ৫০০ টাকা প্রদান করেছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুজন কাজী বলেন, এবি জেনারেল স্টোরে ৪০ টাকার সেভলন ৮০ টাকা মূল্য হাকছে এমন অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দোকানীকে ভোক্তা অধিকার আইনের ৪০ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করে অভিযোগকারীকে ২৫ শতাংশ প্রদান করি। এই সময় বাজারের আরও কয়েকটি দোকান ও ফার্মেসীতে তদারকি করি।