বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২০ ইং, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২০ ইং

শরীয়তপুরে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ও অসহায়দের খাদ‍্যসামগ্রী উপহার

শরীয়তপুরে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ও অসহায়দের খাদ‍্যসামগ্রী উপহার

শরীয়তপুরে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীসহ অসহায়দের মাঝে খাদ‍্যসামগ্রী উপহার দিলেন মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক পুলিশ আইজিপি শহীদুল হক।

বৃহস্পতিবার ১৪ মে সকাল সাড়ে ১০টায় মজিদ জরিনা স্কুল এন্ড কলেজ ফাউন্ডেশনের সদস‍্য ইমরান হোসেন বেপারী ও অধ‍্যক্ষ ফরিদ আল হাসানের মাধ্যমে আইজিপি একেএম শহীদুল হক-এর এ খাদ‍্যসামগ্রী অত্র প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীসহ ৫০-৬০ জন অসহায়দের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

খাদ‍্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, চিনি, সেমাই, লবণ ইত্যাদি।

এর আগে করোনায় অসহায়দের মাঝে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন ও ব‍্যক্তিগত উদ‍্যোগে তিন দফায় নড়িয়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের ৪ থেকে ৫’হাজার পরিবারকে খাদ‍্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

এ বিতরণকালে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজের অধ‍্যক্ষ ফরিদ আল হাসান বলেন, মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা একেএম শহীদুল হক একজন মানবিক মানুষ। করোনার এই মহামারীতে তারই নির্দেশনায় ইতিমধ্যে নড়িয়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে অসহায়দের মাঝে খাদ‍্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মজিদ জরিনা স্কুল এন্ড কলেজ বন্ধ থাকার পরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন বন্ধ নেই। প্রতিষ্ঠানের খোঁজ খবর সর্বদা তিনি রাখছেন। আজ তিনি যে খাদ‍্যসামগ্রী দিচ্ছেন তা কর্মচারীদের ত্রাণ হিসেবে নয়, এটা উপহার হিসেবে তিনি দিয়েছেন।

ফাউন্ডেশনের সদস‍্য ইমরান বেপারী বলেন, করোনা মহামারীর এ সময়ে আমরা এবং আমাদের পরিবারের সবাই ও মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নড়িয়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে তৃতীয় দফায় ৪-৫ হাজার পরিবারকে খাদ‍্যসামগ্রী দিয়েছি। আজ আমার চাচা ও মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা একেএম শহীদুল হক-এর নির্দেশনায় অত্র প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ও কিছু অসহায় পরিবারকে খাদ‍্যসামগ্রী উপহার হিসেবে দিয়েছি।