শুক্রবার, ২২শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৯ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
শুক্রবার, ২২শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

শরীয়তপুরে ডিজিটাল রেকর্ডরুমের যাত্রা শুরু

শরীয়তপুরে ডিজিটাল রেকর্ডরুমের যাত্রা শুরু

শরীয়তপুরে ডিজিটাল রেকর্ডরুম ও অনলাইনে ভূমি সেবা কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়েছে। ২৩ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভার্চূয়াল পদ্ধতিতে ঢাকা থেকে এই সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ভার্চ্যুয়ালী সংযুক্ত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব আসমা উল হুসনা লিজা।

এ সময় জেলা ভূমি সেবার সাথে যুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী, এটুআই এর কর্মকর্তা ও জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

ভার্চ্যুয়ালী সভার বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, মানুষ যা কোন দিন ভাবতে পারেনি তাই করে ভূমি মন্ত্রণালয় প্রমাণ করেছে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে ডিজিটাল সেবার বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এখন থেকে প্রবাসীরা বিদেশে বসে নামজারির আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সেবাও পাওয়া যাবে অনলাইনে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমি সচিব বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি। তারা দেশে এসে অল্প সময় অবস্থান করেন। তাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং ভূমি সংক্রান্ত হয়রানি দূর করতে রেকর্ডরুমে ডিজিটালাইজেশন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শরীয়তপুর সহ ২১ জেলা থেকে এই সেবার যাত্রা শুরু হলো। এখন থেকে শহরে ৯ দিন ও গ্রামে ১২ দিনের মধ্যে তাদের ভূমি নামজারি করতে পারবেন। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সেবাও এখন অনলাইনে পাওয়া যাবে।

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বর্তমান সরকারের আরও একটি অন্যতম উদ্যোগ ‘ডিজিটাল রেকর্ডরুম’। ডিজিটাল রেকর্ডরুম বাস্তবায়নের ফলে সেবাগ্রহীতাগণ কোন অফিসে না যেয়ে ঘরে বসে অথবা নিকটস্থ ডিজিটাল সেন্টার অথবা পৃথিবীর যে কোন স্থান হতে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহের আবেদন করতে পারবেন ও খতিয়ানের অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আজ একযোগে দেশের ২১টি জেলায় পূর্ণঙ্গ ডিজিটাল রেকর্ডরুমের উদ্বোধন ঘোষণা করা হলো। শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলার মোট ৫০৫ টি মৌজা আজ এই সেবার আওতায় এসেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ডিজিটাল রেকর্ডরুমের মাধ্যমে এ জেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং জনবান্ধব ভূমি প্রশাসন বাস্তবায়ন একধাপ এগিয়ে যাবে।