সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ঘুরে এলো শরীয়তপুরে মাস্টার জীম গ্রুপ

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ঘুরে এলো শরীয়তপুরে মাস্টার জীম গ্রুপ

শরীয়তপুর জেলাবাসীর শরীর-স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে যুগোপযুগী এক ভূমিকা রাখছে মাস্টার জীম। মাস্টার জীমের প্রতিষ্ঠাতা হাসান তামিম এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি জীমের সদস্যদের বিনোদন প্রদানের লক্ষ্যে দর্শণীয় স্থান ভ্রমনের আয়োজনও করে থাকেন। এবার ভ্রমণ আগ্রহী জীমের সদস্যদের অংশগ্রহনে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় ভ্রমণ করেছেন। এতে জীমের সদস্যরা শরীর-স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার পাশাপশি বিনোদন উপভোগ করে থাকেন।
হাসান তামীম জানায়, প্রয় ২ বছর হলো শরীয়তপুরে মাস্টার জীম প্রতিষ্ঠা করেছি। এ পর্যন্ত শরীয়তপুরবাসীর কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। জেলার বাহিরের অনেক নিয়মিত সদস্য আছে। এ পর্যন্ত জীমে ৫ শতাধিক সদস্য ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২০০ সদস্য নিয়মিত জীম করছে। অনেকের শরীর স্বাস্থ্যে পূর্বের চাইতে অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। অনেকের দৈহিক ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত কমেছে। অনেকে আবার হাল্কা দেহ নিয়ে জীম শুরু করেছে। তাদের মধ্যেও পরিবর্তন এসেছে। এক কথায় নিয়মিত জীম করে শরীর স্বাস্থ্য ভালো রাখা যায়। জীমের পাশাপশি একটু বিনোদনের সুযোগ থাকলে কেমন হয় ভেবে বিনোদনের বিষয়টি মাথায় রেখে ভ্রমনের আয়োজন করি। বৃহস্পতিবার রাতে “ফেম” চেয়ার কোচে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। শুক্রবার ভোরে কুয়াকাটা পৌঁছে সূর্যদয় দেখে সমুদ্র সৈকত, ঝাউবন, লাল কাকড়ার চর, বৌদ্ধ মন্দির ভ্রমণ করি। পরে সমুদ্রে গোসল ও সৈকতে খেলাধুলা করি। বিকেলে ফাতরার চর (সুন্দর বনের একটা অংশ), লেবু বাগান, ভাজা মাছের বাজার ভ্রমণ শেষে আবার সমুদ্র সৈকতে সকল সদস্যদের নিয়ে অবস্থান করি। সেখানে ফটোস্যুট হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের আনন্দ উপভোগ করেছি। সূর্যাস্ত দেখে সন্ধ্যার পরে আবাসিক হোটেল থেকে ব্যাগেজ ও রেস্টুরেন্ট থেকে রাতের খাবার নিয়ে গাড়িতে উঠি। রাত ৮টা ২০ মিনিটে শরীয়তপুরের উদ্দেশ্যে গাড়ি ছাড়ে। রাত ৩টায় শরীয়তপুরে গাড়ি পৌঁছে। এক কথায় আনন্দ ভ্রমণ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সদস্যদের নিয়ে কক্সবাজর, সিলেট, সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করব ইনশাল্লাহ।
মাস্টার জীমের ভ্রমণ সঙ্গী সদস্যদের সাথে আলাপ হয়, তারা জানায় শরীয় স্বাস্থ্যের পাশাপাশি বিনোদনের প্রয়োজন রয়েছে। শত ব্যস্ততম জীবনে জীমে গিয়ে সময় দেই। সেই ফাঁকে মাস্টার জীমের পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা হাসান তামিম কুয়াকাটা ভ্রমনের প্রস্তাব করে। আমরাও প্রস্তাবে রাজি হই। এবারের ভ্রমনে অনেক আনন্দ উপভোগ করেছি। এক ধরনের গেঞ্জি পড়ে সমুদ্র সৈকতে দাড়িয়ে ভিন্ন রকম অনুভূতি অনুভব করছিলাম। মাস্টার জীম এর পরেও যদি নতুন কোন ভ্রমনের আয়োজন করে আমরা সাথে থাকব।


error: Content is protected !!