শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্টে সোসাইটি ও আন্তর্জাতিক রেডক্রস’র একটি প্রতিনিধি দল পরিদর্শণে আসেন।
শুক্রবার বিকেল ৪ টার সময় এই প্রতিনিধি দল নড়িয়া উপজেলার বাঁশতলা ও মুলফৎগঞ্জ এলাকা এবং মুলফৎগঞ্জে অবস্থিত নড়িয়া উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখেন, শনিবার সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের পাচুখার কান্দি পদ্মা নদীর ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় পরিদর্শণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন।
জানা যায়, সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর নড়িয়া উপজেলার পদ্মার পাড়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৪ হাজার পরিবারের বাড়িঘর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থরা একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে দিশেহারা হয়ে এদিক-সেদিক ছুটছেন। পদ্মার তীরবর্তী এলাকার লোকজনের চোখে ঘুম নেই। তারা দিন-রাত তাদের সর্বশেষ সম্বল ঘরবাড়ি, দোকানপাট সরিয়ে নিতে প্রাণপণ চেষ্টা করলেও চোখের সামনেই মুহূর্তে সব বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
পরিদর্শণকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সহকারী পরিচালক মাহবুব এলাহি, ব্রিটিশ রেডক্রস’র সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার (ডিআরআর) শচিন সরকার, জার্মান রেডক্রস’র প্রজেক্ট অফিসার প্রদীপ বর্মন, আইএফআরসি’র প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার আইনুলহুদা, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির শরীয়তপুর জেলা ইউনিটের সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট আলমগীর মুন্সী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম মোস্তফা, আজীবন সদস্য আব্দুল হালিম, যুব প্রধান মোঃ হাবিবুর রহমান।

বিষয় :