দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ যেন এসব অর্জন কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনা থেকে অঙ্গীকার নেওয়ার ওপর他强调 করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাণীতে তিনি ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের তাৎপর্য এবং দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মূল আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছিল। আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। দুটি ঘটনাই দেশ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করে।

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছিল; ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই। একই ধারায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পেছনেও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা কাজ করেছে।

এসব ঐতিহাসিক ঘটনার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ এবং বাংলাদেশের বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য অটুট রাখতে ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করার গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন।

দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাইরের কোনো শক্তির নয়, বরং “সবার আগে বাংলাদেশ”—এই অঙ্গীকারকে সামনে রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা আগামী দিনের পথচলায় প্রেরণা ও পাথেয় হবে। দিবস উপলক্ষে জাতীয়ভাবে আয়োজিত সব কর্মসূচির সাফল্যও কামনা করেন তিনি।