• ব্রেকিং নিউজ

    রোববারের সাহিত্য পাতা

    প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০১৯ সময়: ৯:৩৪ অপরাহ্ণ 227 বার

    রোববারের সাহিত্য পাতা

    হৃদয় ভূমে নিবাস কার
    -খান মেহেদী মিজান

    হৃদয় ভূমে নিবাস কার
    কে আসে অলখে চলে যায় পলকে
    আমায় ব্যথিত করে কে যায় ফিরে ফিরে
    কী তার অধিকার ?
    আঁচলের ডালায় সাজিয়ে বাসরি ফুল
    আসে কতোজন সেজে অলিকুল
    সহসা ক্ষতবিক্ষত করে
    কী এক অনাহূত ঝড়ে
    ঘৃণায় মুখ ঢেকে ব্যথায় নিঃসৃতি রেখে
    হৃদয় অক্টোপাস ভেঙে করে একাকার
    কী তার অধিকার ?
    সহ¯্র প্রশ্নবানে বিদ্ধ করে
    অবসাদের পেয়ালা অঞ্জলি ভরে
    সে দিয়েছে আমায়
    চষ্ণুর চুম্বনে তপ্ত করিতে কামনা রুধির
    ইন্দ্রিয় গ্রন্থি কেনো করে হাহাকার
    কী তার অধিকার ?


    পিপাসু পাখি
    -এ এইচ নান্নু

    অট্টালিকা বিত্ত বৈভবে সুখ আসে না
    দেখা হলেই মনে হয় প্রথম দেখা
    চাঁদ, সূর্য, নক্ষত্র প্রতিদিন কাছে থাকে
    অবহেলা করি কাছে পেয়ে আবার-
    দেখার অপেক্ষায় থাকি দিনের পরে রাঁতেও।
    ভালবাসার যেমন ব্যার্থতা নেই জীবনে
    তেমনী মৃত্যুরও কোন ব্যার্থতা নেই,
    তোমার ভাবনার ব্যার্থতা ছিল আবেগে
    বিরামহীন চোঁখে আমরন খুজবে ভালোবাসা!
    তুমি আজ নিজেকে অপরাধী মনে করলেও
    তোমার হৃদয় চিরে দেখাতে পারবে না
    চাতক পাখি যেমন চেয়ে থাকে দুরে
    পিপাসু পাখি নদীর পাড়ে ডেকে বেড়ায়
    একটু পানি পেলে পান করবে
    মাথাটা নিচু করলেই পানি খেতে পারে পাখি,
    পাখির সুভাকাঙ্খীকে খুজে বেড়ায়!
    বেপরোয়া হয়ে আছে হৃদয়
    ডানা দুটো অবস হয়ে আছে উড়তে পারবে না
    ভুলের প্রায়শ্চিত্ব করছে বলে,
    কাউকে বলতে পারছে না মুখ ফুটে
    মুখে কুলুপ এঁটে আছে সংসার বৈভব নিয়ে।
    ভুলেও মানুষ ভুল করে লোভেও ভুল করে
    যে ভুল কখনো ফুল হয়ে ফোটেনা
    ভুলের ভাবনাটা স্বার্থকতার জালে-
    জড়িয়ে আজ ভাবনার মৃত্যু পথযাত্রী!!


    একুশ তুমি
    -শেখ জিয়াউল হক

    আমি কী ভুলিতে পারি অমর একুশে ফেব্রুয়ারী
    রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এর পরিসমাধী
    এইতো সেই একুশ যার পদনে শোক সঞ্চালনায়
    আত্মভূষিতে সম্মানিতে ফুলের তোড়া দিতেই হয়।
    পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠত্ব মাতৃভাষা বিবাদহীন
    একুশ তুমি সোনার বাংলার আকুতি আর্তনাদ
    তাইতো বিশ্ব দরবারে সমমূল্যে সমাদৃত
    প্রিয় মধুর ভাষা প্রাণ হয়েছিল যার সম্পৃক্ত
    রক্তলাল চিহ্নিত রেখে অম্লান বেষ্টনি সবুজ
    একুশ তুমি স্বাধীনতা প্রজন্মের অনুজ
    তোমাদের কথা বলে হবে নাকো শেষ
    বিবিষিকাময় বিশ্বসমাদৃত করিতে সোনার বাংলাদেশ
    একুশ তুমি রেখেছিলে সঠিক মাতৃভূমির বানী
    তোমরই দামাল ছেলে বৃহৎ করিতে বঙ্গরানী।
    পরম পাওয়া বরণ ডালায়
    অন্তর ভালোবাসা ফুলের মালায়
    সেই দিন পারে নাই কেউ তোমাদের ঠেকাতে
    রাজপথ রঞ্জিত রক্তাত্বের নির্মম প্রাণঘাতে
    অক্ষত রহিবে তোমাদের কারণে সার্বভৌমত্ব পেলাম
    ভাষা সৈনিক, শহীদের নাম শ্রদ্ধায় রেখে সালাম।


     

    শুধুই তুমি
    -রুদ্র মো: শাকিব মিঞা

    নিশিরাত………
    নক্ষত্রের তলে একখন্ড-অখন্ড গগন
    তারা দিচ্ছে আলো, সবই নির্জন।
    ….তবু…ঘুম নেই চোখে
    তোমায় ভেবে।
    আমি সেই অভাগী
    তোমায় ভেবে
    নিনিদ্র রাত্রি যাপন করি আমি
    বলেছি ভালোবাসি….মিথ্যে তো বলিনি।
    তোমার ঝাটকা কেশের বাঁধন
    কেরেছে আমার নয়ন
    তোমার চোখের অপূর্ব কান্তশ্রী
    তোমার অপরূপ দুটি নয়ন
    কাজল রেখায় যুক্ত তোমার ভ্রুযুগল
    সেই তোমারই লাগি হয়েছি পাগল।
    তোমার সুউচ্চ গ্রীবা
    কালো কালো দুটি চোখের চাহনী
    ¯িœগ্ধ তোমার নিরবতা
    মধুর ন্যায় তোমার আননের ভৎর্সনা
    ন¤্র–ভদ্র-¯িœগ্ধ তোমার প্রকৃতি
    সেই তোমারই লাগি দেবদাস আমি।।


    উপলব্ধি
    -সুধাংশু কুমার

    সমুদ্র তীরে যেতেই ভেসে আসে
    তোমার প্রথম প্রেমের আহ্বান গীতি।
    ডুবন্ত সূর্য্য কে মনে হয় তোমার রক্তিম অঁধর।
    পাহাড়ের বুকে ঝর্ণা,
    সে তো তোমার গন্ড বেয়ে ঝরে পড়া অশ্রু।
    পূর্ণিমার চাঁদকে মনে হয়
    তোমার ললাটের লাল টিপ।
    ভেসে চলা মেঘমালা দেখে ভাবি
    বসন্তের হাওয়ায় ওড়ানো
    তোমর কুন্তল রাশি।
    ফুলের পাপড়িতে খুঁজে পাই
    তোমার প্রতিচ্ছবি।
    ফিরে যাই দিকচক্রবালে,
    যেখানে আকাশ ও পৃথিভীর মিতালী।
    মনে পড়ে তব অঁধর চুম্বন ক্ষন।
    এ বিশ্বের সকল অস্তিত্ব্ েউপলব্ধি করি
    তোমাকে শুধু তোমাকে।


    নীরব কবি
    -মোঃ সফিজদ্দিন

    বিশ^ বরেন্য বিদ্রোহী তুমি
    লেখনীতে রচিয়াছ স্বর্গ,
    তোমার বিরত্বে কাপিছে ভূবন
    হাসিছে আকাশ মর্ত ।
    তোমার সাধনায় পেয়েছি আমরা
    মুক্তির পথ খানি,
    তোমার ছন্দে ও সুরের দোলায়
    ভুলেছি সকল গ্লানি।
    ঘন সবুজের দেশে জন্মায়েছ তুমি
    তুমিই দিয়েছ প্রান,
    জাতিরে দিয়েছ মুক্তির সাধ
    আরোও দিয়েছ সম্মান।
    বিদায় নিয়েছ চিরতরে তুমি
    আর আসবে না জানি,
    তোমারে কখন ও ভূবনে পাব না।
    স্বর্গতো পেয়েছ মানি।


    মায়ের চরিত্র
    -এ এইচ নান্নু

    আমি আজ বৈরাগী
    লোকে বলে বিবাগী
    কজন আছে ত্যাগী
    সবই দেখি ভোগী।
    ভোগ বিলাসে আনন্দ
    কাছে পেলে সানন্দ
    দুরে গেলে নিরানন্দ
    তোমার কথায় পুষ্পছন্দ্য।
    কুকুর বিড়াল পশুজীব
    তোমার চরিত্র নির্জীব
    আবেগ ছিল ভরপুর
    প্রেমে নাই দিনদুপুর।
    তুমিতো প্রেম বিলাসী
    ভালবাসায় অভিলাসী
    প্রিয় মানুষ চরিত্রহীন
    রাঁতের আঁধারে পিদ্বিন।
    রাগ দেখাতে গিয়ে
    হয়ে গেছে বিয়ে
    যৌবন বুঝে না চোর
    গর্ভে আসে সন্তান তোর
    শিশু চিনে না পিতা
    অবৈধ জানে মাতা।

    :: শেয়ার করুন ::

    Comments

    comments

    সংবাদটি ফেইসবুকে শেয়ার করুন

    দৈনিক রুদ্রবার্তা/শরীয়তপুর/০৩ মার্চ ২০১৯/


    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    সাহিত্য পাতা

    ১৪ এপ্রিল ২০১৯

    সাহিত্য পাতা, ২৪ ফেব্রুয়ারী

    ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দৈনিক রুদ্রবার্তা

  • error: নিউজ কপি করা নিষেধ!!