বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর আদালত আংশিকভাবে খুলে দিতে আইনজীবীদের আবেদন

শরীয়তপুর আদালত আংশিকভাবে খুলে দিতে আইনজীবীদের আবেদন

শরীয়তপুর ন্যায় বিচা‌রের কথা বি‌বেচনা ক‌রে আদালত আংশিকভাবে খুলে দিতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন আইনজীবীরা।

দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যেও স্বল্প পরিসরে আদালত চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

দীর্ঘদিন আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিচারপ্রার্থী, বন্দি ও আসামি জেলহাজতে মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং অনেক ছোট, ছোট মাললার আসামিরা জামিন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তাই ন্যায় বিচা‌রের কথা বি‌বেচনা ক‌রে আদালত আংশিকভাবে খুলে দিতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন আইনজীবীরা।

মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্মারক নং-২৭৫২/এ, নির্দেশের আলোকে ২৩ এপ্রিল শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আগামী ২৭ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল জরুরী জামিন শুনানীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে । আদালতে সপ্তাহে দুই দিন জরুরি জামিন শুনানি নেওয়া হবে। তবে কোন দুই দিন শুনানি হবে, তা জেলা দায়রা জজ ঠিক করবেন।

উপর্যুক্ত সূত্র ও স্মারকের আলোকে শরীয়তপুর বারের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা ক্রমে শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ প্রসান্ত কুমার বিশ্বাস সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি মাথায় রেখে এসব জামিন শুনানিতে কিছু বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হয়েছে।

নোটিসে বলা হয়েছে, একটি মামলার জামিন শুনানিতে কেবল একজন বিজ্ঞ আইনজীবী অংশগ্রহণ করবেন। আদালত প্রাঙ্গণ এবং এজলাস কক্ষে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করা না হলে আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে।

জামিন শুনানিতে কারাগারে থাকা আসামিদের প্রিজনভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালতে হাজির না করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নোটিসে।

জেলা আদালত প্রাঙ্গণে এবং এজলাস কক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে আইনজীবী সমিতিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন জেলা ও দায়রা জজ প্রসান্ত কুমার বিশ্বাস।

সকলকে নিম্নের আদেশাবলী অনুসরন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১। জামিনের দরখাস্ত সংক্ষিপ্ত হতে হবে।

২। জামিনের দরখাস্তে প্রয়োজনীয় কথা প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে। যেমন-(১) কয় নম্বর আসামী (২) কত ধারায় অভিযোগ (৩) কি অভিযোগ (৪) কবে থেকে হাজতে (৫) কত তারিখের কত নম্বর আদেশে জামিন না মঞ্জুর হয় এ সমস্ত প্রথমেই সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

৩। জামিন শুনানী কালে এজলাসে না ডাকা পর্যন্ত এজলাসে উপস্থিত হওয়া যাবে না।

৪। দরখাস্তের উপরে বিজ্ঞ কৌশলীর মোবাইল নম্বর অবশ্যই থাকতে হবে।

৫। মোবাইল অথবা মাইকে বা অন্য কোন মাধ্যমে কৌশলীকে না ডাকা পর্যন্ত এজলাসে উপস্থিত হওয়া যাবে না।

৬। এজলাস বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে খোলা হবে।

৭। দরখাস্ত বেলা ১১(এগার)টার মধ্যে অবশ্যই দিতে হবে।

৮। দরখাস্ত কবে কখন শুনানো হবে তা আদালত জানায়ে দেবে।

৯।সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন করে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করা হলো অফিসে,আদালতে ঢোকার আগে অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করতে হবে এবং হাত ধুতে হবে। নথি, দরখাস্ত যে ধরবে, বহন করবে,গ্রহন করবে তাকে হ্যান্ড গ্লাভস পরতে হবে।


error: Content is protected !!