মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং, ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী
মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং

ইউপি চেয়ারম্যানের করোনা রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ !

ইউপি চেয়ারম্যানের করোনা রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ !

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের করোনা রিপোর্ট নিয়ে বিভ্রান্তি ও সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। গত বুধবার ১০ জুন করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ জানায় স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখেন তিনি। কিন্তু রবিবার ১৪ জুন তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

শরীয়তপুরের সখিপুর থানার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, গত ৮ জুন সোমবার করোনা নমুনা দেয়ার পর আইইডিসিআরের করোনা কন্ট্রোলার ডা. রাজীব আলামীন ১০ জুন বুধবার আমাকে নেগেটিভ রিপোর্ট জানিয়েছেন।

সে অনুযায়ী আমি নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। কিন্তু ১৪ জুন আজকে সিভিল সার্জন অফিসের রিপোর্টে আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ দেখানো হয়েছে। আর সিভিল সার্জন অফিস থেকে আমার যে ঠিকানা দেয়া হয়েছে সেটাও ভুল। সেখানে গৈডা, ভেদরগঞ্জ লেখা রয়েছে।

তবে জেলা করোনা কন্ট্রোলরুম বলছে- নাম, পিন নাম্বার, মোবাইল নাম্বার ঠিক থাকলে ঠিকানা ভুল হলেও সে রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ’র কিছু নাই।

এদিকে একই দিন সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রতিবেশী আরো ৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের প্রত্যকের বাড়ি লকডাউন ঘোষনা করেছে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

আর বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির পর ১৫ জুন সোমবার দুপুরে আবারো চেয়ারম্যান এর দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নমুনা সংগ্রহ টিম।

এদিকে ১০ তারিখের পজিটিভ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে চেয়ারম্যান তার স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেছিল। এছাড়া ৮ জুন তারিখে অন্য যেসব লোকজনের থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তারাও স্বাভাবিক ভাবেই লোকজনের সাথে চলাচল করেছে। তবে রবিবারের রিপোর্ট পজিটিভ আসায় তাদের সংস্পর্শে আসা লোকজনের মধ্যে অনেকটা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা করোনা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত ডাঃ মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, আমাদের দ্বারা সংগৃহীত নমুনার ফলাফল যেহেতু ল্যাব পরীক্ষায় পজিটিভ এসেছে যেহেতু আমাদের ফলাফলই সঠিক। যদি চেয়ারম্যান অন্য কোনভাবে রিপোর্ট পেয়ে থাকে, তবে তা আমাদেরকে দেখালে আমরা সেটা বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।