বৃহস্পতিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

শরীয়তপুরে এলজিইডি’র ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরে এলজিইডি’র ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আয়োজনে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়) এর আওতায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর শরীয়তপুর দুবাই প্লাজার চিকন্দী ফুডপার্কে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় শরীয়তপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান ফরাজী এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইডব্লিউআরএম ইউনিট তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(পিএন্ডডি) মোহাম্মদ খালেদ চৌধুরী।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি মাদারীপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার মো: মাহবুব হোসেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের শরীয়তপুর জেলা উপ-পরিচালক আমির হামজা, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুবোধ কুমার দাস, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আ: রউফ, জেলা সমবায় কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র বালা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খাদিজাতুন আসমা ও জেলা একাউন্টেট পার্থ দেবনাথ।

এছাড়াও উক্ত কর্মশালায় বিভিন্ন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সহকারী প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট জেলার সহকারী প্রকৌশলী (পানি সম্পদ), সোসিওলজিস্ট (আউটসোস) ও জেনারেল ফেসিলেটেটররা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইডব্লিউআরএম ইউনিট তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী(পিএন্ডডি) মোহাম্মদ খালেদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ কৃষি ভিত্তিক দেশ। গ্রামীন কৃষির উন্নয়ন এই দেশের পানি সম্পদকে ঘিরে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। ইউনিয়ন বা গ্রাম পর্যায়ে স্বাধীন হাইড্রোলোজিক্যাল একটি এলাকা যেখানে স্থানীয় বন্যায় এলাকার জমির ফসল নষ্ট হয়, সেচের অভাবে ফসলের উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায় অথবা জলাবদ্ধতার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। এসব ক্ষতি যেন না হয় তার জন্য বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন্যার কারনে ফসলহানীর সম্ভাবনা দুর করে সেচের পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করে এবং জলবদ্ধতা দূর করে পতিত জমি চাষের আওতায় এনে শস্য ও ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীন দরিদ্রতা দূর করার লক্ষে এলজিইডির পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পগুলে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে উপ-প্রকল্প এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষিতে নানাবিধ কর্মসংস্থানের সুুযোগ সৃষ্টি, বিভিন্ন আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে সুস্থকতা, গরু মোটাতাজা করণ ছাগল, হাস মুরগী পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি কার্য্যক্রমের ফলে একদিকে যেমন এলাকর মানুষের আয় বৃদ্ধি হয়েছে অন্যদিকে তেমন আমিষের ঘাটতি দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে চলছে। পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতিগুলো তাদের বিনিযোগ থেকে মুনাফা অর্জন করছে এবং সেই মুনাফা সদস্যদের মধ্যে লভাংশ হিসেবে বিতরণ করে থাকে।