চোরের দশ দিন, গিরস্তের এক দিন। একজাল টাকার কারবারি এর আগে কয়েকবার কোর্ট সংলগ্ন আয়নাল মাদবর (৬০) এর দোকানে খোদ্দের হয়ে ৩/৪শ’ টাকার মাল কিনে ১ হাজার টাকার জাল নোট ভাংগিয়ে নিয়ে যায়। বৃদ্ধ বয়সে প্রতারণার শিকার হন আয়নাল মাদবর। ছেলেরা দোকানে থাকলে এমন ঘটনা ঘটে না। যেদিন তিনি দোকানে থাকেন সেই দিনই এই ধরনের প্রতারণার শিকার হন। এর জন্য ছেলেদের কাছে শুনতে হয় অনেক কথা।

১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১২ টায় সেই জালকারবারি আয়নাল মাদবরের দোকানে জিনিস ক্রয় করতে এসে ১ হাজার টাকার নোট দিলে আগের ঘটনা মনে পড়ে যায় দোকানির। ধরে ফেলেন প্রতারককে হাতে নাতে।
সরেজমিনে থেকে জানা যায়, প্রতারক মুন্না সরদার (৩২) ডামুড্যা উপজেলার প্রিয়কাঠি গ্রামে ৩ নং ওয়ার্ডের ছত্তর সরদারের ছেলে।
এসময় দোকানদার আয়নাল মাদবর বলেন, এর আগে ২ বার এই লোকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকার জাল নোট রেখে প্রতারিত হয়েছি। আজ এসে বড় বোতলের স্যাম্পু নিয়ে একহাজার টাকার নোট দিলে আমার সন্দেহ হয়। এটা জাল টাকা বলে, মানুষজন ডাক দেয়ার মুহুর্তে সে জালটাকাটা টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে দেয়। মানুষ ভীড় জমাতে থাকলে তার সাথে থাকা আরও কিছু ১ হাজার টাকার নোট কৌশলে নিচে ফেলে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় মতি মোল্লা, রাণি সরদার, বাবুল মাদবর সহ অনেকেই বলেন, আমরা দোকানের সামনে লোকসমাগম দেখে এগিয়ে আসি। দোকানদারের কাছে শুনে ও তার কাছে আরও জাল টাকার ১ হাজার টাকার নোট পেয়ে আমরা নিশ্চিত হই এই লোক জাল টাকা কারবারি। এর আগেও কোর্ট বাজারে এই ধরনের ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা দেখে আমাদের মধ্যে কেউ একজন পুলিশকে ফোন দিলে সিভিল পোশাকে মোটরসাইকেল দুই জন পুলিশ এসে জাল টাকার ছেঁড়া নোট সহ আরও কিছু জাল নোট সহ তাকে ধরে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি তদন্ত এসএম আতিক উল্লাহ বলেন, আসামিকে আমরা থানায় ধরে এনেছি। জিঙ্গাসাবাদে শিকার করেছে সে জাল টাকার ব্যবসা করে। আমরা তার বিরুদ্ধে মামালা রেডি করছি

Facebook Comments Box