
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ রোধবিষয়ক শরীয়তপুরে মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিরা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে সোমবার ৬ জুন সকালে শরীয়তপুর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহ রোধবিষয়ক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান।
শরীয়তপুর জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক রাফিয়া ইকবাল এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর পৌরসবা মেয়র এ্যাড পারভেজ রহমান জন, গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফজলুর রহমান ঢালী, জেলা রেজিষ্টার জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ,ডামুড্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতিমা নাহিয়ার এর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা নিকাহ রেজিষ্টার সমিতিরি সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান ও এসডিএস প্রতিনিধি খালেদা আক্তার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার এবং বাল্য বিবাহ নারীর ক্ষমতায়নের প্রধান অন্তরায়। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে একটি ভাল আইন বিদ্যামান থাকলেও বাংলাদেশে ৬৪ শতাংশ মেয়ের ১৮ বৎসর হওয়ার আগে বিয়ে হয়ে যায়। এটি জাতীয় জীবনের একটি বড় সমস্যা। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারীর যথাযথ উন্নয়ন না হলে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাল্য বিবাহ নারী উন্নয়নের বাধা। সরকার বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
জেলাপ্রশাসক বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৮ বৎসরের নিচে বিয়ের সংখ্যা শুন্যে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন। এই লক্ষ অর্জন সরকার বাল্যবিবাহের কারন সমূহ চিহ্নিত করেছে এবং ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।