শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
শনিবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং

হত্যা পরে স্ত্রীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয় স্বামী, প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বামী ও সহযোগী আটক

হত্যা পরে স্ত্রীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয় স্বামী, প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বামী ও সহযোগী আটক

এনজিও থেকে ঋণের টাকা তোলা কথা বলে ট্রলারে নিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা পরে স্ত্রীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয় স্বামী। লাশ উদ্ধারের পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামি সনাক্ত করে ২২নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শরীয়তপুর নড়িয়া সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে ৩ নভেম্বর চন্ডিপুর লঞ্চঘাটে পদ্মা নদীতে ভেসে আসা এক নারীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধারের পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই নাজমুল ইসলাম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামি সনাক্ত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

৩ নভেম্বর চন্ডিপুর লঞ্চঘাটে এক নারীর লাশ ভেসে আসতে দেখে এলাকাবাসী সুরেশ্বর নৌ-পুলিশকে জানালে লাশ উদ্ধার করে তার পরিচয় সনাক্ত করে আসামি গ্রেফতারে সক্ষম হন হত্যাকারী জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগী শাহ আলম দুজনকে। জিজ্ঞাসাবাদ ও জবানবন্দীর পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেল হাজতে প্রেয়ন করা হয়। এ বিষয়ে সুরেশ্বর নৌ পুলিশ প্রেস ব্রিফিংএর আয়োজন করেন ।

এবিষয়ে সুরেশ্বর নৌ পুলিশের আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং করেন। সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা নদীতে ভেসে আসা নারীর নাম আখিনুর ডাক্তার স্বামী জাহাঙ্গীর লৌহজং মুন্সিগঞ্জ হকার ব্যবসায়ী। এনজিওথেকে ঋণের টাকা তোলা নিয়ে স্ত্রীর সাথে দ্বন্দ্ব ছিল স্বামীর।

স্ত্রী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হন স্বামী স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করে দোকানদার তার বন্ধু শাহ আলম কে নিয়ে। ১ নভেম্বর বেলা ১২টয় জাজিরা থেকে ঋণ নিবে বলে বন্ধু শাহ আলমকে দিয়ে বউকে ঋণের সাক্ষী দেয়া লাগবে বলে লৌহজং পুরাতন থানা ঘাট থেকে ট্রলারে জাজিরার উদ্দেশ্যে পদ্মা নদী পাড়ি দেয়। এর পরে বেলা একটার দিকে নদীর মাঝে আসার পরে শাহ আলম আঁখিনুর আক্তার কে ধাক্কা দিয়ে মাঝখানে ছাওনীতে ফেলে গলা চেপে ধরে এবং তার স্বামী জাহাঙ্গীর মুখে কষ্টিভ লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে আখিনুরকে। পরে হাত পা বেঁধে তার স্বামী জাহাঙ্গীর ও তার সহযোগী শাহ আলম বেলা দুইটার দিকে নদীর মাঝখানে লাশ ফেলে দেয়।


error: Content is protected !!