সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মুহাররম, ১৪৪৪ হিজরী
সোমবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২২ ইং

শরীয়তপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে সাংবাদিক বাবার আকুতি

শরীয়তপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে সাংবাদিক বাবার আকুতি
শরীয়তপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে সাংবাদিক বাবার আকুতি

স্থানীয় দৈনিক রুদ্রবার্তা পত্রিকার সাবেক ফটো সাংবাদিক মো. ইয়াকুব বেপারির একমাত্র ছেলে জিহাদুল ইসলাম (৩ বছর ৭ মাস) ২ বছর ধরে মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত। সন্তানের চিকিৎসার খরচ চালিয়ে আজ তিনি সর্বশান্ত।
জিহাদুল ইসলাম শরীয়তপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের স্বর্ণঘোষ গ্রামের মো. ইয়াকুব বেপারি ও জান্নাতুন আক্তারের একমাত্র ছেলে।
জিহাদুলের বাবা ইয়াকুব বেপারি জানান, জিহাদুল জন্মগ্রহণের পর ইপিআই টিকাদান কার্ডের (শিশু) মাধ্যমে বিসিজি, পেন্টা (ডিপিটি, হেপ-বি, হিব), পিসিভি, ওপিভি, আইপিভি, এমআর (হাম ও রুবেলা) ও হাম (২য় ডোজ) টিকাগুলো দিতে যান শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামের টিকা কেন্দ্রে (ছাত্তার হাওলাদারের বাড়ি)।
সেখানে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর হাম (২য় ডোজ) শেষ টিকাটি ওই কেন্দ্রের এক স্বাস্থ্য সহকারী জিহাদুলের ডান রানে পুশ করার পর রান ফুলে যন্ত্রণা হতে থাকলে ফের কেন্দ্রে নিয়ে গেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য সহকারী। পরে জিহাদুলকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শেখ মোস্তফা খোকন, মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান, ডা. শামীম আব্দুল্লাহকে দেখান। তারা জিহাদুলকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে দেখানোর পরামর্শ দেন।
পরে জিহাদুলের বাবা ঢাকা শিশু হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ এবং পরে পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকদের দেখান। সেখানে জিহাদুলের রানে ক্যান্সার ধরা পরে। সর্বশেষ তাকে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে বায়োপসি করা হয়। বায়োপসি করানোর পর চিকিৎসকরা বলেন, রানে অপারেশন করলে ক্যান্সার পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়বে।
বাংলাদেশের চিকিৎসকের পরামর্শে গত ১৩ জানুয়ারি জিহাদুলকে ভারতের ভেলর সিএমসি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার লেনি গ্রেইস ম্যাথিউ জিহাদুলের চিকিৎসা করেন। তিনি জানান, জিহাদুলকে চিকিৎসা করাতে হলে ভারতে ১৫ মাস থাকতে হবে। এতে খরচ হবে প্রায় ১০ লাখ রুপি। এতে ৬০ ভাগ ভালো হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ইয়াকুব বেপারি বলেন, জিহাদুলের চিকিৎসার জন্য প্রায় ১২ লাখ টাকা (১০ লাখ রুপি) দরকার। কিন্তু এত টাকা কোথায় পাব? তাই ছেলের চিকিৎসার ব্যয় চালিয়ে যেতে পারছি না। এমতাবস্থায় সন্তানের চিকিৎসার জন্য সবার কাছে সাহায্য কামনা করছি।
জিহাদুলের মা জান্নাতুন আক্তার বলেন, টিকা দেয়ার কারণে জিহাদুলের রানে ক্যান্সার হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে রান ফুলে যাচ্ছে। ছেলের রানসহ সারা শরীরে প্রচন্ড ব্যথা। ব্যথায় ছেলেটা আমার সারাক্ষণ কান্না করে। আমার ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
জিহাদুলের বিষয়ে কথা বলতে পারেন তার বাবা ইয়াকুব বেপারির সঙ্গে।

সন্তানের পিতা: মোঃ ইয়াকুব বেপারী, মোবাইল নাম্বার
01735414198
01917387010
01793363825


error: Content is protected !!