Friday 24th May 2024
Friday 24th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

ভেদরগঞ্জের সখিপুরে একটি অসহায় পরিবারের ঘর ভেঙে নেয়ার হুমকি

ভেদরগঞ্জের সখিপুরে একটি অসহায় পরিবারের ঘর ভেঙে নেয়ার হুমকি

শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানায় টাকা ধার নেয়ার অভিযোগ দিয়ে একটি অসহায় পরিবারের ঘর ভেঙে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। উপজেলার চরসেনসাস ইউনিয়নের বেড়াচাক্কি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, বেড়াচাক্কি গ্রামের অসহায় পরিবারের মৃত হইজবক্স তালুকদারের ছেলে তাজুল ইসলাম তালুকদার (৩৩) ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ধার নেয় একই গ্রামের ইউসুফ বকাউলের ছেলে জনু বকাউলের (৪৫) কাজ থেকে। ইতিমধ্যে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধও করেন তাজুল ইসলাম। ওই গ্রামে একাধিকবার সালিশ বসে এ বিষয় নিয়ে। সালিশের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয় বাকি টাকা পরিশোধ করে দেবে তাজুলের শশুর মাহফুজুল খাঁ।
কিন্তু এই সিদ্ধান্ত পাশ কাটিয়ে জনু বকাউল, আবু তাহের বকাউল ১০/১৫ জন লোক নিয়ে তাজুল বকাউলের ঘর ভেঙে নিতে আসলে স্থানীয়রা বাঁধা দেয়। পরে জনু বকাউল ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলে এবং মৃত্যুরও হুমকি দেয় তাজুলের পরিবারকে। সেই ভয়ে তাজুল ইসলাম তালুকদার ছয় মাস যাবত নিখোঁজ রয়েছেন। এখন তাজুলের পরিবার জনু বকাউলের ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
তাজুল ইসলাম তালুকদারের মা নুরুন নেছা বলেন, আমার ছেলে তাজুল জনু বকাউলের কাজ থেকে টাকা ধার নিছে কিনা আমার জানা নাই। কিন্তু টাকার জন্য দুইবার আমাদের ঘর ভেঙে নিতে আসছে জনু বকাউলরা। আবার হুমকি দিয়ে গেছে ঘর ছেড়ে না গেলে মেরে ফেলবে। তাই নাতি-নাতনি, ছেলের বউ নিয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছি। এদিকে ছেলে তাজুলও ছয় মাস যাবত নিখোঁজ রয়েছে। আমরা এখন কোথায় যাই?
জনু বকাউল বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাজুল ইসলাম তালুকদার আমার কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ধার নেয়। ৪০ হাজার টাকা দিয়েছে। কিন্তু বাকি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেই দিচ্ছি বলে নানান তালবাহানা করছে। এ ব্যাপারে সালিশ বসছিল, সালিশরা তাজুলের ঘর ভেঙে নিতে বলেছিল। তাই দুইবার ঘর ভাঙতে গিয়েছিলাম।
চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী জানান, এ বিষয় নিয়ে একাধিক সালিশ হয়েছে। তাজুলকে টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে। ঘর ভাঙতে যাওয়ার বিষয়ে জানা নেই, জানতে হবে।
সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, এ ব্যাপারে কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। ভুক্তভোগি পরিবার অভিযোগ নিয়ে আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।