Wednesday 17th April 2024
Wednesday 17th April 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

নামাজ আদায়ের জন্য পরিবার নিয়ে ডামুড্যায় সৌদি নাগরিক

নামাজ আদায়ের জন্য পরিবার নিয়ে ডামুড্যায় সৌদি নাগরিক

নিজের টাকায় মসজিদ নির্মাণ করে নামাজ আদায়ের জন্য পরিবার নিয়ে শরীয়তপুর আসলেন শেখ হামুদ আলী আল খালাফ

শরীয়তপুরে ডামুড্যা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড কুলকুড়ি এলাকায় চার কোটি টাকা খরচ করে তার কর্মচারী মোক্তার ঢালির মাধ্যমে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করলেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ।

শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারি সৌদি এয়ারলাইনসের একটি বিমানে চার মেয়ে কে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ। বিমান বন্দর থেকে তিনটি গাড়ি নিয়ে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় চলে আসেন। এসময় তাকে বরণ করতে মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে এগি যায় এলাকার যুব সমাজ। ডামুড্যা পৌরসভার কুলকুড়ি এলাকায় পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এলাকাবাসী। নিজের টাকায় নির্মিত মসজিদ দেখে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করেন খালাফ ও তার পরিবার। খালাফের আগমন উপলক্ষে কুলকুড়ি এলাকাটিতে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

তাদেরকে এক নজর দেখতে ভীড় করেন শিশু, বৃদ্ধ ও মহিলাসহ সকল বয়সের মানুষ।

জানা যায় কুলকুড়ির সৌদি প্রবাসী মোক্তার ঢালি প্রায় ২০ বছর ধরে সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফের অধিনে কাজ করছেন। কাজের সুবাদে মালিকের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে মোক্তারের। মোক্তার একদিন তার মালিক কে প্রস্তাব করেন যে, খালাফ আমার এলাকায় একটি ভাঙ্গা মসজিদ আছে। তুমি চাইলে ওটাকে নির্মাণ করে দিতে পারো। মোক্তারের প্রস্তাবে রাজি হয়ে খালাফ প্রায় ৪ কোটি টাকা খরচ করে কুলকড়ি কবিরাজ বাড়ি জামে মসজিদটি নির্মাণ করলেন সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ।

 

সৌদি নাগরিক শেখ হামুদ আলী আল খালাফ দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, বাংলাদেশ মসজিদ নির্মাণ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত। মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি এ মসজিটি নিজের চোখে দেখার জন্য আমার চার মেয়ে কে নিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করতে ছুটে এসেছি। আমি মোক্তারের সহযোগিতা এ কাজ করতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, এ এলাকার মানুষ অনেক ভালো। তারা আমাকে অনেক সমাদর করেছে। তাদের সকল কাজ অনেক সুন্দর হয়েছে। আমি আগামীতে এরকম সুন্দর আরও মসজিদ নির্মাণ করবো ইনশাআল্লাহ।