রবিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ ইং, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
রবিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ ইং

গোসাইরহাটের নাগেরপাড়া ইউনিয়ন হবে জনগণের উন্মুক্ত সেবা প্রতিষ্ঠান : চেয়ারম্যান প্রার্থী মোজাম্মেল হক

গোসাইরহাটের নাগেরপাড়া ইউনিয়ন হবে জনগণের উন্মুক্ত সেবা প্রতিষ্ঠান : চেয়ারম্যান প্রার্থী মোজাম্মেল হক

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১কে ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী, বিশিষ্ট সমাজসেবক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: মোজাম্মেল হক খান ভোটারের বাড়ী বাড়ী হেটে চলছেন। সকাল, দুপুর, গভীর রাত পর্যন্ত জনসংযোগে ব্যয় করে যাচ্ছেন। ভোট চাওয়ায় বসে নাই প্রার্থী সমর্থক আত্মীয়-স্বজনরা। দেশের বাইরে থেকেও মো: মোজাম্মেল হক খানের সমর্থনে ভোট প্রার্থনা করছেন। নির্বাচনের আচরণ বিধি কঠোরতা থাকায় প্রার্থী মো: মোজাম্মেল হক খান আইন শৃংখলা মেনে স্বাভাবিক ভাবে তার প্রচারণা চালাচ্ছেন। শোডাউন, মহড়া, মাইকিং, জনসংযোগ করে তিনি নিজের যোগ্যতা ও অবদানের কথা ভোটারের কাছে কাছে তুলে ধরছেন। এর ফলে ভোটারদের পক্ষে প্রার্থীদের বিভিন্ন যোগ্যতার মাপ কাঠির মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি মনে করেন ইউনিয়ন নির্বাচনে এলাকা ও ব্যক্তি ইমেজের বিশেষ গুরুত্বের কারনে বিজয়ের পথ সহজ হবে।

নির্বাচনী প্রচারণা সম্পর্কে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মোজাম্মেল হক খান বলেন, আমি নাগেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নাগেরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে অংশগ্রহণ করেছি। সবাই যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং ভাবেন আমি নাগেরপাড়া ইউনিয়নের যোগ্য নাগরিক হিসেবে সকলের সেবা করতে পারবো। ইউনিয়নের অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করাসহ সকল ইউনিয়ন থেকে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। এরপর তিনি নাগেরপাড়া ইউনিয়নের জনগণকে পূর্ণাঙ্গ সেবা দানে সহযোগিতাসহ সকল সেবা নিশ্চিত করা, ইউনিয়ন পরিষদের সেবা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত একটি ইউনিয়ন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাগেরপাড়া ইউনিয়নের সকল জনগণকে আনারস মার্কায় ভোট দিতে বলেন। এছাড়া মো: মোজাম্মেল হক খান তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের কিছু সমালোচনা তুলে ধরেন। যেমন-নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় বাধা দেওয়া, বহিরাগতদের দিয়ে মোটরসাইকেল শোডাউন দিয়ে জনগণের মনে হতাশা সৃষ্টি করা ইত্যাদি ইত্যাদি।