রবিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ ইং, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
রবিবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১ ইং
গোসাইরহাটের আলাওলপুর ইউনিয়ন পরিষদ

চেয়ারম্যান প্রার্থী নারী উদদ্যোক্তা ফাতেমা পান্না বেকারত্ব দূরীকরণে সবসময় জনগণের পাশে

চেয়ারম্যান প্রার্থী নারী উদদ্যোক্তা ফাতেমা পান্না বেকারত্ব দূরীকরণে সবসময় জনগণের পাশে

আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২১ নির্বাচনকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর (গরীবের চর) ইউনিয়নে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের ব্যাপক প্রচারণা ও গণসংযোগ চলছে। তারা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের নানা প্রতিশ্রুতি ও আর তুলে ধরছেন তাদের ব্যক্তিগত অবদানের কথা।

এমনি এক চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, নারী উদ্েযাক্তা ফাতেমা পান্না। নারী উদ্েযাক্তা হয়ে ফাতেমা পান্না যেমন নিজের উন্নয়ন করেছেন, তেমন নিজ ইউনিয়ন আলাওলপুর(গরীবের চর) ইউনিয়নের নারী-পুরুষ ও কৃষক-কৃষাণীর বিভিন্ন উন্নয়ন করে চলেছেন এবং আগামীতেও উন্নয়ন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গোসাইরহাটের আলাওলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নারী উদ্েযাক্তা ফাতেমা পান্না বেকারত্ব দূরীকরণে সবসময় জনগণের পাশে আছেন এবং থাকবেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী ও নারী উদ্েযাক্তা তার অবদানের কথা বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন, আমি মোসা: ফাতেমা পান্না। আমি এবার আলাওলপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাড়িয়েছি। আমার মার্কা আনারস আমি জনগণের জনপ্রিয়তা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমি নির্বাচন ছাড়াও দেশের উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি। আমি দুইজন প্রশিক্ষকের মাধ্যমে আলাওলপুর ইউনিয়নের ১০০ জন মেয়েকে সেলাই কাজ শিখিয়েছি এবং ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে দশটি করে সেলাই মেশিন দিয়ে মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি; যাতে মেয়েরা সেলাই কাজ শিখে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারে। অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য ১০০ ঘর দিয়েছি। আমি প্রতি বছর শীতে এক হাজার কম্বল বিতরণ করি এবারও করবো ইনশাআল্লাহ। এ নারী উদ্েযাক্তা চেয়ারম্যান প্রার্থী আরও উল্লেখ করেন, আমি যদি চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলেও জনগণের জন্য কাজ করবো আর যদি চেয়ারম্যান নাও হতে পারি তাহলেও জনগণের জন্য কাজ করবো।

দেশের সবার সুখে দুঃখে পাশে আছি, আমি থাকবো। আমার বহু কল্যাণ সংগঠন নামে একটি সংগঠন আছে, যেই সংগঠণের মাধ্যমে আমি মানুষের জন্য সহযোগিতা করি এবং আরো করবো। আমার সংগঠনে বাল্যবিবাহ রোধ, ছেলে-মেয়েদের বিবাহের জন্য আর্থিক সহযোগিতা করে থাকি। আমার সংগঠনে মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদের জন্য ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ-এর জন্য কাজের ব্যবস্থা আছে; যাদের ছেলেরা লেখাপড়ার পাশাপাশি ড্রাইভিং শিখে সরকারি-বেসরকারি এবং প্রাইভেট চাকরি করতে পারে। সাধারণ কৃষকের জন্য আমি প্রতিবছর ৫০০ জনকে বীজ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছি। আমি যদি চেয়ারম্যান হতে পারি, তাহলে এই ইউনিয়নে একটি হাসপাতাল করবো এবং আরেকটি কলেজ করব; যাতে অসহায় মানুষ অল্প ও বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে পারে এবং শিক্ষার্থীরা নিকটস্থ কলেজে লেখাপড়া করতে পারে। এছাড়া মাদক দূর করতে মাদকবিরোধী অভিযান চালাবো ও বেকারত্ব দূরীকরণে আমি আগামী জুন মাসে ১০৫ জন বেকার যুবক-যুবতীকে আমার সংগঠনে মাঠকর্মী হিসেবে নিয়োগ দিব ইনশাআল্লাহ।