সোমবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
সোমবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

নড়িয়ায় উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে, নতুন আক্রান্ত আরো একজন

নড়িয়ায় উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে, নতুন আক্রান্ত আরো একজন
নড়িয়ায় উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে, নতুন আক্রান্ত আরো একজন

শরীয়তপুরে নতুন আরো দুই জনের দেহে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এসেছে।
এদের মধ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের ২৪ বছর বয়সী একজন নারীর কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে ঢাকা শিশু হাসপতালে মারা যাওয়া নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুড়া এলাকার ০৯ বছর বয়সী একজন মেয়ে শিশুর রিপোর্ট কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে। গত ১০ মে করোনার উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে তার পরিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ মে তার মৃত্যু হয়। ওই দিনই স্বাস্থ্য বিভাগ শিশুটির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠায়। ১৮ মে সোমবার শিশুটির করোনা ফলাফল পজিটিভ আসে।

এ নিয়ে জেলায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ৭৩ জনে। নতুন সুস্থ ০৫ জন সহ এ পর্যন্ত ২৭ করোনা রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

সোমবার (১৮ মে) রাত ১০ টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

শরীয়তপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা করোনা কন্ট্রোল রুমের সমন্বয়ক ডা. আবদুর রশিদ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জেলার ৭৩ জন করোনা আক্রান্তদের মধ্য থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচর্যায় ডামুড্যা উপজেলার তিনজন ও ভেগরগঞ্জ উপজেলার দুইজনসহ চিকিৎসাপ্রাপ্ত ২৭ জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের ২৪ বছর বয়সী একজন নারীর কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে। এছাড়া গত ১২ মে করোনার উপসর্গ নিয়ে ঢাকা শিশু হাসপতালে মারা যাওয়া নড়িয়া উপজেলার ০৯ বছর বয়সী একজন মেয়ে শিশুর রিপোর্ট কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত জেলায় ২ হাজার ৮৭ সন্দেহভাজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং এক হাজার ৮২৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলায় করোনায় মোট আক্রান্ত ৭৩ জন। এই প্রথম শরীয়তপুরে এক শিশু করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ০২ জন। সন্দেহভাজন ০৩ জন (সদর হাসপাতাল)।

উপজেলা ভিত্তিক রোগীর সংখ্যা- সদর উপজেলায় নতুন ১ জন সহ মোট আক্রান্ত ১৬ জন ও সুস্থ ৫ জন। জাজিরা উপজেলায় আক্রান্ত ৯ জন ও সুস্থ ৬ জন। নড়িয়া উপজেলায় নতুন ১ জন সহ মোট আক্রান্ত ১৪ জন, সুস্থ ৭ জন ও মৃত ২ জন। ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্ত ১০ জন ও সুস্থ ২ জন। গোসাইরহাট উপজেলায় আক্রান্ত ২ জন। ডামুড্যা উপজেলায় আক্রান্ত ২২ জন, সুস্থ ৭ জন ও মৃত ১ জন।