বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং, ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রজব, ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ মেম্বারের অনাস্থা

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ মেম্বারের অনাস্থা

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ সরদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য ও মেম্বার ১১ জন সদস্য ।

শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ সরদারের বিরুদ্ধে প্রতি তারা অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। ফলে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত এক বছর ধরে চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ সরদার ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ, পরিষদের সিংহ ভাগ কাজ চেয়ারম্যান নিজের ইচ্ছেমত একক সিদ্ধান্তে বাস্তবায়ন করে আসছেন, তার মর্জি অনুযায়ী বন্টন করেন, কোন বিষয়ে সমন্বয় করেন না, ইউপি সদস্যদের সাথে। এ ছাড়াও আব্দুল আজিজ সরদার ইউনিয়নের নাগরিক, ওয়ারিশ ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ দিতেও অবৈধভাবে নগদ অর্থ দাবি করেন ইউপি সদস্যের মাধ্যমে।

ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম মাল জানান, চেয়ারম্যান তার নিজের ইচ্ছেমত পরিষদের কাজ করে থাকেন। আমাদের কাজ থেকে রেজুলেশনে স্বাক্ষর নিয় যান, তার পর কোথায় থেকে কাজ, বরাদ্দ আসে, সেই বরাদ্দ কোথায় যায় সেটা আমরা ইউপি সদস্যরা কেউ জানি না।

৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী ঢালী জানান, গত এক বছরে যে বরাদ্দ এসেছে পরিষদে, সেই বরাদ্দ চেয়ারম্যান তার ইচ্ছেমত বন্টন করছেন এবং সিংহ ভাগ কাজ তিনি নিজেই বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়া ইউনিয়নের নাগরিক, ওয়ারিশ ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ দিতেও অবৈধভাবে আমাদের মাধ্যমে নগদ অর্থ দাবি করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ সরদার জানান, আমি মন্ত্রী মহোদয় আর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের কথার বাহিরে কোন কিছু করি না। কি জন্য আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছে আমি আপনাদের জেনে, জানাতে পারবো।

নড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন মোল্লা জানান, অভিযোগের ঘটনা শুনে এখানে এসেছি। কি নিয়ে অভিযোগ করেছে, চেয়ারম্যান আর মেম্বারদের সাথে বসে বিষয়টি জেনে সমাধানের চেষ্টা করবো।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাশেদউজ্জামামানকে একাধিকবার ফোন ও মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে এ বিষয়ে জানা যায়নি।


error: Content is protected !!