শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের জনপ্রিয় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহম্মেদ এর আতংকে কাপছে মালিক- মহাজন সহ জেলেরা।

শনিবার ১৯ অক্টোবর দিনব্যাপী মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে ৩২ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৪ জনকে বয়সের বিবেচনায় ৫০০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়াও ধারাবাহিক ভাবে রাতদিন ঝুঁকি নিয়ে মাছ ক্রেতা-বিক্রেতা, জেলে, মহাজন সহ শতাধিক আটক করে কারাদণ্ড সহ জরিমানা করেন।

তিনি ধারাবাহিক ভাবে,
বৃহঃস্পতিবার ১৭ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে অাটককৃত ৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৫ জনকে বয়সের বিবেচনায় ৫০০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার বিশ্রামের কথা চিন্তা না করে এই জনপ্রিয় ইউএনও মা ইলিশ রক্ষার্থে ১৮ অক্টোবর ৭ জন মাছ ধরার জন্য ভোলা ও লক্ষ্মীপুর থেকে এসেছে। এদের ৮ জন সহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

সেই দিনেই শুক্রবার ১৮ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে অাটককৃত ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৫ জনকে বয়সের বিবেচনায় ৫০০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

তিনি ৯অক্টোবর এর আগে বিভিন্ন জায়গায় জেলেদের নিয়ে সভা-সেমিনারে সবার উদ্যেশে জানান,৯ অক্টোবর হতে ২২অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২দিন মা ইলিশ রক্ষার্থে ইলিশ মাছ অাহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ অথবা ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। অাসুন মা ইলিশ রক্ষার্থে অামরা সকলে সচেষ্ট হই।
তা-ছাড়াও বিভিন্ন জয়গায় মা’ইলিশ নিয়ে জনসেচতনতা মূলক পোস্টার লাগানো হয়।

এছাড়াও মানুষ তার কাছে কোন অপরাধের তথ্য দিলে তথ্যদাতার নাম গোপন রেখেন। এবং সরেজমিনে গিয়ে তার সমাধান করেন।

Facebook Comments Box