Tuesday 25th June 2024
Tuesday 25th June 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

আইপিএল: কে কী পেল, কার ঝুলিতে গেল কত টাকা?

আইপিএল: কে কী পেল, কার ঝুলিতে গেল কত টাকা?
আইপিএল: কে কী পেল, কার ঝুলিতে গেল কত টাকা?

আইপিএল মানেই টাকার ছড়াছড়ি। অর্থের ঝনঝনানিতে এই আসর নজর কাড়ে সবার। টাকার পাহাড় নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা। ক্রিকেটাররাও পকেটে ভরেন প্রত্যাশার চেয়ে বেশিই অর্থ। প্রাইজমানিতেও যার প্রভাব দেখা যায়।

এবারের আইপিলের ১৭তম আসরের শিরোপা জেতে বেশ বড় অঙ্কের পুরস্কারই পকেটে পুরেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। চ্যাম্পিয়ন প্রাইজমানি তো বটেই, ব্যক্তিগতভাবে একাধিক পুরস্কার জিতেছেন কলকাতার ক্রিকেটাররা। বলা যায় পয়সা উসুল একটা আসর কাটিয়ে বেগুনি জার্সিধারীরা। চ্যাম্পিয়ন কলকাতা, রানার্সআপ হায়দরাবাদের পাশাপাশি প্লে-অফে খেলা রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও ভালো পরিমাণের অর্থই পেয়েছে।

এবারের আইপিএলে মোট ৪৬.৫ কোটি রূপির প্রাইজমানি দেয়া হয়েছে। যা ফাইনাল ম্যাচের পর বিতরণ করা হয়। যেখানে শিরোপা জেতা কলকাতা পেয়েছে ২০ কোটি রূপি। বাংলাদেশী টাকায় যা প্রায় ২৮ কোটি টাকা। আর রানার্সআপ দল পেয়েছে ১২.৫ কোটি রূপি। ২০২৩ সালের আইপিএলেও একই প্রাইজমানি ছিল। এছাড়াও তৃতীয়স্থানে থেকে আইপিএল শেষ করা রাজস্থান রয়্যালস ৭ কোটি রূপি এবং চতুর্থস্থানে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু পুরস্কার পেয়েছে ৬.৫ কোটি রূপি।

 

এবারের আসরে সর্বোচ্চ ৭৪১ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছেন বিরাট কোহলি। আর সর্বোচ্চ ২৪ উইকেট নিয়ে পার্পল ক্যাপ জিতেছেন পাঞ্জাবের হারশাল প্যাটেল। আগামী মৌসুম পর্যন্ত ক্যাপ দুটির মালিক তাঁরা। অরেঞ্জ ও পার্পল ক্যাপ অর্জনের সুবাদে ১০ লাখ রুপি করে পেয়েছেন কোহলি-হারশাল।

ব্যাটে-বলে দুই বিভাগেই দারুণ খেলে মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের (প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট) পুরস্কার জিতেছেন সুনীল নারাইন। কলকাতার এই বোলিং অলরাউন্ডার ব্যাট হাতে ৪৮৮ আর বল হাতে ১৭ উইকেট নিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইপিএলের মৌসুমসেরা হয়েছেন। নারাইন অর্থ পুরস্কার পেয়েছেন ২০ লাখ রুপি। আর হায়দরাবাদের নিতীশ কুমার রেড্ডি টুর্নামেন্টের উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে পেয়েছেন ১২ লাখ রুপি অর্থ পুরস্কার।

তাছাড়া ফাইনালে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতা মিচেল স্টার্ক পান ৬ লাখ রূপি পুরস্কার। তাছাড়া সবচেয়ে বেশি ডট বলের জন্য হার্ষিত রানা, ফাইনালে সবচেয়ে বেশি চারের জন্য রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও সবচেয়ে বেশি ছক্কার জন্য ভেঙ্কটেশ আইয়ারও পেয়েছেন ১ লাখ রুপি করে।

পুরস্কারের দৌড়ে হায়দ্রাবাদও পিছিয়ে নেই। রানার আপ প্রাইজমানির সাথে ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে হায়দরাবাদ। দল হিসেবে তারা পেয়েছে ১০ লাখ রুপি। পুরস্কার পেয়েছেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেড। দু’জনেই পেয়েছেন দশ লাখ রুপির চেক। ট্রাভিস হেড আসরে সবচেয়ে বেশি চার মেরেছিলেন। আর অভিষেকের ব্যাট থেকে এসেছিল সবচেয়ে বেশি ছয়ের মার। শুধু তাই নয়, সেরা পিচ ও গ্রাউন্ড বানিয়েছে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জিতে নিয়েছে ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার।

অন্যদিকে আসরের সেরা ক্যাচের জন্য রামানদ্বীপ সিং, বেস্ট স্ট্রাইকরেটের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগার্কও পেয়েছেন ১০ লাখ রুপির পুরস্কার।