Saturday 24th February 2024
Saturday 24th February 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

শরীয়তপুরে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

“জন্মসনদ শিশু অধিকার, বাস্তবায়নে দায়িত্ব সবার” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুরে জাতীয় জন্ম নিবন্ধন দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসন, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, স্থানীয় সরকার বিভাগ, শরীয়তপুরের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ এর সহযোগিতায় এ র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।
শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন তালুকদার এর সভাপতিত্বে ও এনডিসি মামুনুর রশিদ এর উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহাবুর রহমান শেখ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস হোসেন মোড়ল, শরীয়তপুর ডিস্ট্রিক ফ্যাসিলিটেটর রোকুনুজ্জামান, সহকারী কমিশনার হোসনে আরা ও শরীয়তপুর জেলা সমাজসেবা উপপরিচালক মোঃ কামাল হোসেন।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর সদর উপজেলার পৌরসভার কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিববৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও কর্মকর্তা প্রমূখ।
র‌্যালীটি শরীয়তপুর শহীদ মিনার থেকে প্রধান প্রধান সড়ক অতিক্রম করে শরীয়তপুর জেলা কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি কাজী আবু তাহেরসহ অন্যান্য বক্তারা বলেন, জন্ম নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে আমাদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে। যে শিশু তার তো সে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব না। এজন্য সর্ব প্রথমে যে দায়িত্ব পালন করবেন, তিনি হলেন পিতামাতা। তারপরে যারা দায়িত্ব পালন করবেন, তারা হলেন ইউপি সদস্য, মহিলা ইউপি সদস্য, সচিব, চেয়ারম্যান ও পৌরসভার কাউন্সিলর, মহিলা কাউন্সিলর, সচিব, মেয়র এবং স্বাস্থ্যকর্মীগণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ। এক্ষেত্রে কোন ধরনের ত্রুটি করা যাবে না। ২০০৪ সালের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন হয়। এই আইন অনুযায়ী জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কেউ দায়িত্ব এড়াতে পারে না। আগামীতে আমাদের সকল কাজেই জন্মসনদ ছাড়া সম্ভব হবে না।