মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা সফর, ১৪৪২ হিজরী
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

শরীয়তপুরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের অভিযোগ

শরীয়তপুরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের অভিযোগ
শরীয়তপুরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরের অভিযোগ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার গঙ্গানগর বাজারে আওয়ামী লীগের আঞ্চলিক কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু’র ছবি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
গঙ্গানগর আঞ্চলিক শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান স্বপন অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাত ৮টার দিকে আমি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী গঙ্গানগর বাজারে আওয়ালীগের আঞ্চলিক অফিসে বসে আলাপ আলোচনা করছিলাম। সে মুহুর্তে জয়নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিন্টু কাজীর লোক আজহার কাজী, পিন্টু কাজী ও রাজু কাজীর নেতৃত্বে প্রায় ১৫/২০ জন লোক লাঠিসোঠা নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এ সময় হামলাকারীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু’র ছবি ভাংচুর করে। পরে বাজারের লোকজন একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করে বাজার ছাড়া করে। হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইনসান চৌকিদার, আব্দুল হালিম তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা সুলায়মান শেখ একই অভিযোগ করে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য আজহার কাজী, পিন্টু কাজী বা রাজু কাজীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে কাউকেই পাওয়া যায়নি।
সাবেক চেয়ারম্যান মিন্টু কাজীর মোবাইল ফোনে কল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা। আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি। আমি ঘটনা শুনেছি। এ বিষয়ে মুলনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদার ভালো বলতে পারবেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।
মুলনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদার বলেন, ওখানে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি গ্রুপ রয়েছে। রোববার রাতে আওয়ামী লীগের ক্লাবে ওই দুই গ্রুপের মধ্যে কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর নির্দেশে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। পরে উভয় পক্ষ এক জায়গায় বসে বিষয়টি মিমাংসা হতে রাজি হন। আগামী বুধবার উভয় পক্ষ এক জায়গায় বসার কথা রয়েছে। আমি চাই দলের মধ্যে কোন কোন্দল না থাক এবং বিষয়টি দ্রুত মিমাংসা হয়ে যাক।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম উদ্দিন বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।