মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, ২৪শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
আজ মঙ্গলবার | ৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং

শরীয়তপুরে শুরু হয়েছে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ

শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ | 546Views

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আটং গ্রামে স্থাপিত আতাউর রহমান পিন্টু মোল্লা ও চাঁন মিয়া হাওলাদার স্বত্বাধীকারী মেসার্স মদিনা ব্রিকসের ইট বানানো ও পোড়ানোর কোন প্রকার অনুমতি না থাকায় ভেঙে ফেলা হচ্ছে মেসার্স মদিনা ব্রিকস এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা ও লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় ডোমসার মেঘনা ব্রিকফিল্ডের স্বত্বাধীকারী গোলাম মোস্তফাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান শেখ ও পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর কার্যালয়ের পরিদর্শক মোঃ তুহিন আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ইটভাটা তৈরী, ইট বানানো ও পোড়ানোসহ কোন প্রকার কাগজপত্র দেখাতে পারেনি মদিনা ব্রিকসের ম্যানেজার মোঃ রুহুল আমিন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত কোন প্রকার কাগজপত্র না পেয়ে অবৈধভাবে ইটভাটা তৈরী এবং পরিবেশ আইনে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন ও ইটভাটাটি ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন। অভিযানের সময় মদিনা ব্রিকসের কোনো মালিককে পাওয়া যায়নি।
এদিকে লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় শরয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার মেঘনা ব্রিকফিল্ডের স্বত্বাধীকারী গোলাম মোস্তফাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান শেখ জানান, সারাদেশে অবৈধভাবে চালানো ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করছি, এই মদিনা ব্রিকসের কোনো প্রকার লাইসেন্স না থাকায় তাদের ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও ইটভাটাটি ভাঙ্গার কার্যক্রম চলছে। এছাড়া লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় ডোমসার মেঘনা ব্রিকফিল্ডের স্বত্বাধীকারী গোলাম মোস্তফাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুরের পরিদর্শক মোঃ তুহিন আলম বলেন, এ ইটভাটাটির আশপাশে ফসলি জমি, স্কুল, বাড়ি-ঘর থাকায় পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না বলে তাদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়ার পরও তারা এবছর
ভাটা চালু করেছে তাই এই অবৈধ মদিনা ব্রিকসটি ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এই অভিযান ফরিদপুর অঞ্চলে অব্যাহত থাকবে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে সহযোগী পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন এসআই আতাউর রহমান।


-Advertisement-
সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

ফেইসবুক পাতা

-Advertisement-
-Advertisement-
error: Content is protected !!