শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ (স.) এর অবমাননা ও ব্যাঙ্গচিত্র

ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ জমিয়ত

ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ জমিয়ত

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ (স.) এর অবমাননা ও ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জমিয়ত, যুব ও ছাত্র হিজবুল্লাহ।

এ সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এই ঘটনা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। এমন জঘন্যতম অন্যায় কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্বনবী (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে শরীয়তপুর শহরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পালং উত্তর বাজারে এসে শেষ হয়। এর আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে সংগঠণের নেতৃবৃন্দরা।

এ সময় মানববন্ধনে কাগদী খানকা শরীফের গদীনিশীন পীর নেছারউদ্দিন সরদারের সভাপতিত্বে ডামুড্যা উপজেলা জমিয়তে হিজবুল্লাহর সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, সখিপুর থানা যুব হিজবুল্লাহ হাফেজ মাওলানা খালিদ, সদর উপজেলা হিজবুল্লাহর সভাপতি হাফেজ মুফতি হেমায়েত উদ্দিন, গোসাইরহাট যুব হিজবুল্লাহর মাওলানা আমিনুল ইসলামসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জমিয়ত, যুব ও ছাত্র হিজবুল্লাহর নেতৃবৃন্দসহ সর্বোস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্ব মানবতার শান্তির দূত, মানবতার নবী, সকল সুসলমানদের প্রিয় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে বিশ্বের ২০০ কোটি মুসলমানের কলিজায় আঘাত হেনেছে। মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। এ মুহুর্তে বিন্দুমাত্র ঈমান থাকলে কোন মুসলমান চুপ করে বসে থাকতে পারে না। বাকস্বাধীনতার নামে এমন জঘন্যতম অন্যায় কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তারা বলেন, বিশ্বনবীর অবমাননার ঘটনা অসভ্যতাকেও হার মানিয়েছে। ফ্রান্স সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।

তারা আরও বলেন, এ ঘটনায় ফ্রান্সের সকল পণ্য বর্জন করতে হবে। ফ্রান্স সরকারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা না চাইবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি সরকার যেন অনতিবিলম্বে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করে ফ্রান্স সরকারের সাথে সকল ধরণের কূটনীতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন।