রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং, ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

নড়িয়ার সুরেশ্বর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ টি দোকান ও ৪ টি বসতঘর পুড়ে ছাঁই

নড়িয়ার সুরেশ্বর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৭ টি দোকান ও ৪ টি বসতঘর পুড়ে ছাঁই

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর বাজারে আগুনে পুড়ে প্রায় ১৭ টি দোকান ও ৪ টি বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৬ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার ২৩ নভেম্বর বেলা ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে এবং মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পরে।

আগুনের তিব্রতা বাড়তে থাকলে স্থানীয় জনতা, নদীরপাড়ে থাকা জাহাঙ্গীর বেপারীর পানির পাম্প ও বেরীবাধের লোকজনের প্রচেষ্টায় প্রায় ১ ঘন্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ সময় কাশেম বাবুর্চির তৈল, গ্যাস, পেট্রোল ও মুদি দোকান, আমানউল্লাহ দেওয়ানের ১ টি মোবাইলের দোকান ও ১ টি যন্ত্রাংশের দোকান, দুটি খাবার হোটেল ও বাড়ির দুটি থাকার ঘর পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে রশিদ হাওলাদারের দুটি দোকান ও দুটি ষাড়, মোকসেদ পালের হার্ডওয়ারী ও মুদি দোকান, মোল্লার ওয়ার্কসপ, নজরুল ইসলামের সেনেটারী, বোরহান বাবুর্চির চায়ের দোকান, জাকির বয়াতির কাপরের দোকান, জহির বেপারীর মেশিনারিজ দোকান, মুজাফফর দেওয়ানের মুরগীর দোকান, আবুল কালাম মাঝির চটপটির দোকান ও সাইফুল সৈয়ালের অটো চার্জিং গ্যারেজসহ দোকান প্রায় ২০টি দোকান আগুনে ক্ষতিগস্ত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ধারণা, কাশেম বাবুর্চির তৈল ও গ্যাসের দোকানের সামনে থেকে আগুনের সুএপাত হয়েছে। রুবেল মুন্সির পায়ে গরম তৈল পড়ে পা পুড়েছে।

উপজেলা ভুমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী মাজিস্ট্রেট মোর্শেদুল ইসলাম পুড়ে যাওয়া বাজার পরিদর্শণ করেছে। তিনি বলেন, আগুনে পুড়ে প্রায় অনেকগুলো দোকান ও বসত ঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সুরেশ্বর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোশারফ ব্যাপারী জানান, বেলা ১১ টার দিকে কাশেম বাবুর্চির (পেট্রোল, ডিজেল) তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে ভয়াবহ আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই বিভিন্ন পণ্যের প্রায় ২০টি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়। তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়স্ত্রণ করে। আগুনে প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

শরীয়তপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সেলিম মিয়া বলেন, সুরেশ্বর বাজারের একটি (পেট্রোল, ডিজেল) তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

ঘড়িষার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুর রব খান জানান, আগুনে ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ছয় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুনে বাজার ব্যাবসায়ীদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।