শুক্রবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরী
শুক্রবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং

পদ্মার পানি বৃদ্ধি, শরীয়তপুরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

পদ্মার পানি বৃদ্ধি, শরীয়তপুরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

শরীয়তপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিামিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জাজিরা, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ইতোমধ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্লাবিত এলাকার খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, পদ্মার পানি একদিনের ব্যবধানে ১৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে মঙ্গলবার বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলার নড়িয়া উপজেলায় ছয়টি, জাজিরায় ৯টি ও ভেদরগঞ্জ উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম আংশিক প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেয়ে বসতবাড়িসহ রাস্তা-ঘাট, মাছের ঘের, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এদিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে পদ্মার ভাঙ্গনে জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর ইউনিয়নের দেড় শতাধিক বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে পদ্মা পারের আরো শতাধিক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জানিয়েছে, জাজিরা, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে নড়িয়া উপজেলার ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে ও নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৫০টি বিদ্যালয় মাঠে পানি প্রবেশ করেছে।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, চলতি বর্ষায় জাজিরা উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সৈয়দ আজিম উদ্দিন দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, আমরা নিয়মিত নদী ভাঙ্গন ও প্লাবিত এলাকার মানুষের খোঁজ-খবর রাখছি। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের কাছে ৮০ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ১০ লাখ টাকা মজুত আছে।