রবিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ ইং, ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
রবিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ ইং

জিতু বেপারীকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ 

জিতু বেপারীকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় জনগণ 

জিতু বেপারীকেই পূণরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় চরসেনসাস ইউনিয়নের সকল জনগণ। জানা যায়,তিনি এই এলাকার অতীতের সকল চেয়ারম্যানদের থেকে অত্যান্ত সততা এবং বেশ সুনামের সাথে এই চরসেনসাস ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের নয়ণের মণি হয়ে তাদের মনের মণি কোঠায় জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। শুদু তাই নয়,পাশাপাশি জিতু চেয়ারম্যানেকে এলাকাবাসী সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে সব সময় তার থেকে সেবা পেয়েছে তাদের বন্ধুর মত। দিন-রাত যখনই তাকে দরকার হয়েছে তখনই তাকে ছায়ার মত পাশে পেয়েছে বলেই চরসেনসাসের সকল জনগণের মনে এখন একটাই চাওয়া জিতু চেয়ারম্যানই আমাদের চরসেনসাসের সবচেয়য়ে সফল এবং যোগ্য চেয়ারম্যান। আর তাই আমরা তাকে পূণরায় আমাদের এলাকার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। কারণ জিতু চেয়ারম্যান নিজেকে কখনো চেয়ারম্যান ভেবে নয়, বরং নিছক দায়িত্ব মনে করে নিজেকে উজার করে দিয়ে জনগণের খেদমত করে ইতোমধ্যে শরীয়তপুরের অন্য সব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের তুলনায় বেশ সুনাম কুঁড়িয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। জনগণ যখন বিপদে পড়ে দিশেহারা হয়ে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে তখনই জিতু চেয়ারম্যানের কাছে আসলে তিনি বিরক্ত না হয়ে,বরং খুব সুন্দর ভাবে সময় দিয়ে তাদের সমস্যার সঠিক সমাধান দিয়েছেন বলে জানা যায়। এছাড়াও তিনি এলাকার প্রতিটি বিচার-আচারও খুব স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত থেকে অত্যান্ত সততা সাথে পালন করে আসছিলেন বলে ইতোমধ্যে তার বেশ সুনাম এবং পরিচিতি এই এলাকায় সকলের কাছে দিন-দিন বেড়েই চলেছে। তাই বর্তমানে চরসেনসাসের জিতু চেয়ারম্যানের বিকল্প কেউই নেই বলে এমনটি মনে করেন হাবিবুর, খালেক, নজরুল, দুলাল, জাকির, নাগর, মিলন, ইউছুফ, ফিরোজ, আসান প্রমুখসহ এলাকার ৯০% মানুষ। এদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন,১৯৯৭-২০০৩ পযন্ত প্রথম বার চেয়ারম্যান হয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন, ২০১৬ সালে দ্বিতীয় বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।
আমাদের চরসেনসাসের ইতিহাসে আমরা এমন চেয়ারম্যান আর কখনো পাইনি। চেয়ারম্যান থেকে আমাদের ইউনিয়নের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে পোল, কার্লবাট, ছোট ব্রিজ, ইত্যাদি নির্মাণ করার পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, এর মত অপরাধ এলাকা থেকে অনেকটা দূর করতে পেরেছেন এবং এখনো দিন-রাত তার সেই চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে সূত্রে জানায়। তার সেই উন্নয়ন বর্তমানে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় সকলের মাঝে দৃশ্যমান। তাই ওনার মত মানুষকে যদি আমরা আবারো আমাদের চেয়ারম্যান হিসেবে পাই, তবে আমরা এলাকাবাসী ধন্য হবো। কারণ আমরা দেখেছি তিনি নিজেকে কখনো চেয়ারম্যান ভেবে আমাদের দায়িত্ব পালন করেন নি। বরং নিছক দায়িত্ব মনে করে আমাদের এলাকাবাসীর খেদমত করেছেন। তাই আমরা যে করেই হোক জিতু চেয়ারম্যানকেই পূণরায় ভোট দিয়ে আমাদের চেয়ারম্যান বানাবো ইনশাআল্লাহ।