সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং

শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সমাপ্ত স্টেপ প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকবৃন্দের মানববন্ধন

শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সমাপ্ত স্টেপ প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন শিক্ষকবৃন্দের মানববন্ধন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত সারসংক্ষেপ-এর আলোকে “স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট(ঝঞঊচ)” শীর্ষক সমাপ্ত প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে প্রক্রিয়াধীন ৭৭৭জন শিক্ষকের চাকরি রাজস্ব খাতে দ্রুত স্থানান্তর ও ১৮ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতাদির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে মানববন্ধন করেছে শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের “স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট(ঝঞঊচ)”-এর ১৯জন শিক্ষকের আয়োজনে চাকরি রাজস্ব খাতে দ্রুত স্থানান্তর ও ১৮ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতাদির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে এ মানববন্ধন করা হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (টেক) মো. আহাদ আলী, ইন্সট্রাক্টর (টেক) প্রকৌশলী সুজন কুমার তালুদার ও প্রকৌশলী তৌফিকুর রহমান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সমূহের মানোন্নয়ন ও শিক্ষক সল্পতা দূরীকরণের জন্য ২০১০ সালের জুলাই মাসে সরকার স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ) শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করেন, যা ধারাবাহিকভাবে ৩০ জুন ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত চলমান ছিল। ওই প্রকল্পের আওতায় সরকার দেশের ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে নিয়োগবিধির সকল কোটা অনুসরণ করে দুই ধাপে ১০১৫ জন শিক্ষককে নিয়োগ প্রদান করেন (বর্তমানে কর্মরত ৭৭৭জন)।

বক্তারা বলেন, করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে আমরা বিগত ১৮ মাস যাবত বেতন ভাতাদি না পেয়ে অত্যন্ত মানবেতর ও উদ্বিগ্ন অবস্থায় দিন অতিবাহিত করছি। এমতাবস্থায়, শিক্ষক ও তাদের পরিবার-পরিজনদের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার ও বেতন ভাতাদি প্রাপ্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের বিনীত অনুরোধ করছি।

তাঁরা বলেন, বেতন ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি আমরা। আজ ১৮ মাস হয়ে গেলো বেতন ছাড়া। টাকার অভাবে কিছু সহকর্মী চিকিৎসা করতে পারছেন না। কিছু সহকর্মী মারাও গেছেন। আমাদের এক সহকর্মী স্ট্রোক করেছেন, অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না।
বাসার মালিক ভাড়া দিতে না পারায় বাসা থেকে বের হতে বলছেন এক সহকর্মীকে। বেতন না পাওয়ায় পরিবার আজ অনাহারে, অর্ধাহারে।
আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার দ্রুত বাস্তবায়ন চাই। আমাদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও দ্রুত রাজস্ব খাতে চাকরি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।