সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং

শরীয়তপুরে “উগ্রবাদ প্রতিরোধে আলেম সমাজের ভূমিকা” বিষয়ে দিনব্যাপি সেমিনার

শরীয়তপুরে “উগ্রবাদ প্রতিরোধে আলেম সমাজের ভূমিকা” বিষয়ে দিনব্যাপি সেমিনার

শরীয়তপুর পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে “উগ্রবাদ প্রতিরোধে আলেম সমাজের ভূমিকার বিষয়ে অংশগ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রাতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প “উগ্রবাদ প্রতিরোধে “উগ্রবাদ প্রতিরোধে আলেম সমাজের ভূমিকার বিষয়ক দিনব্যাপি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার ১৯ জানুয়ারি সদর পৌরসভা অডিটোরিয়ামে জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার এস. এম. আশরাফুজ্জামান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রসাশন ও অপরাধ) মোঃ সাইফুর রহমান, পিপিএম -এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর) তানভীর হায়দার শাওন, শরীয়তপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আঃ রাজ্জাক রনি ও ঢাকা ডিএমপি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল হক প্রধানসহ বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষক বৃন্দ।

এ সময় পুলিশ সুপার এস. এম. আশরাফুজ্জামান বলেন, পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো ইসলামের বিধিবিধান অনুসরণ করে দিক দিয়ে উন্নতির শিখরে পৌঁছে গিয়েছেন। আমাদেরও ইসলামের বিধিবিধান আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে ধারন করতে হবে এবং সকলের জ্ঞাতার্থে মসজিদে মসজিদে আলোচনার মাধ্যমে আলেমদের প্রচার করতে হবে। এছাড়া তিনি জঙ্গীবাদ ও উগ্রবাদ দূরীকরণে আলেম সমাজের ভূমিকা কি, তা তুলে ধরেন।

উপস্থিত অন্যান্য অতিথি ও আলেমগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ সৃষ্টিতে শুধু ইসলাম ধর্মীয় অনুশাসন ও লোকজনকেই দায়ী করা হয়, এ ধারনা ভূল! জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ সৃষ্টিতে পৃথিবীতে বিভিন্ন চক্রান্তকারী দলই সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের লোকজন জড়িত। ইসলাম ধর্মের লোকজন সবসময় শান্তিপ্রিয় ছিলেন। তারা জুলুমের মোকাবেলায় সবসময় যুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিরোধ করেছে, তারা কখনও আগে আক্রমণ করেননি। এরপর তারা জিহাদের বিভিন্ন দিক এবং ফিলিস্তিন, ইয়ামেন ও সিরিয়ার মুসলমানদের অত্যাচারের বৈশ্বিক কিছু ঘটনা প্রবাহের বিষয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে শুধু মুসলমানদের অত্যাচারের বিষয়ে প্রতিবাদ-ই করা হয়।