Saturday 13th July 2024
Saturday 13th July 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

নড়িয়ার সাবেক এমপি নুরুল হক হাওলাদারের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

নড়িয়ার সাবেক এমপি নুরুল হক হাওলাদারের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ফরিদপুর-১৭ (বর্তমান শরীয়তপুর-২) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ এফ এম নুরুল হক হাওলাদারের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গরবার সকালে তার নিজ বাড়ি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গমাকি ইউনিয়নের সালধ গ্রামের কবরে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি’র পক্ষে নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। নেতৃবৃন্দ শহীদ নুরুল হকের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন মোল্লা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন গাজী, সদস্য অমিত পাল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সুমন, সহ-সভাপতি নিজামুল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর তপাদার, এমপি নুরুল হক হাওলাদারের ছোট ছেলে এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য নাজমুল হক দুর্জয়, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুর ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া শহীদ সংসদ সদস্য নরুল হক ফাউন্ডেশন ও আমরা মুক্তিযুদ্ধের সন্তান সংগঠনের পক্ষ থেকে কবর জিয়ারত, কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

নড়িয়া আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জোবায়দা হক অজন্তার বাবা নূরুল হক ১৯৭৩ সালের ৩০ মে আঁততায়ীর গুলিতে শহীদ হন। শরীয়তপুর জেলাধীন নড়িয়া উপজেলার সালধ গ্রামে তার নিজ বাড়ির বৈঠকখানায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকরত অবস্থায় আঁততায়ীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ডেপুটি চিফ রিপোর্টার ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেনের শ্বশুর।

১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অত্যন্ত তরুণ বয়সে নূরুল হক আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নড়িয়া থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে স্থানীয়ভাবে তিনি একজন সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশমাতৃকাকে স্বাধীন করতে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেন।

জীবদ্দশায় তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত স্নেহভাজন ও ঘনিষ্ট সহচর। ’৬৯-এর গণঅভ্যূত্থানে ঢাকার রাজপথে ছিল তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ।