Thursday 30th May 2024
Thursday 30th May 2024

Notice: Undefined index: top-menu-onoff-sm in /home/hongkarc/rudrabarta.net/wp-content/themes/newsuncode/lib/part/top-part.php on line 67

শরীয়তপুরে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন

শরীয়তপুরে দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের হিজলতলায় দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ভাইয়ের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করে থানায় অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী।

বুধবার (০১ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের হিজলতলা গ্রামে মোতালেব সরদারের পুকুরের বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটে।

 

ভুক্তভোগী ও থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হিজলতলা গ্রামের পশ্চিম সোনামুখি এলাকার গগন সরদারের দুই ছেলে মোতালেব সরদার ও মোতাহার সরদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই দ্বন্দ্বে জের ধরে বেশ কয়েকবার মোতাহার সরদার তার ভাই মোতালেব সরদারের পুকুরের মাছ মেরে ফেলার চেষ্টা করে।

বুধবার দিবাগত রাতে মোতাহার সরদার অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নিয়ে মোতালেব সরদারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষক্রিয়া হয়ে পুকুরের সব মাছ মারা গেলে স্থানীয় সুরভী আক্তার পুকুরের মালিক মোতালেব সরদারকে খবর দেয়। এরপর পুকুর পাড়ে গিয়ে মোতালেব সরকার দেখতে পান পুকুরের রুই, কাতলা, মৃগেল, টেংড়া, ফলি, শিং, কইসহ বিভিন্ন প্রকার দেশীয় প্রজাতির মাছ বিষের প্রভাবে মরে পানিতে ভেসে উঠেছে। এতে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় পালং মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী।

পুকুরের মালিক মোতালেব সরদার বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুকুর পাড়ে এসে দেখি পুকুরের সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এক বছর ধরে আমি মাছের পরিচর্যা করেছি। রমজানেও একটি মাছ ধরে পরিবার নিয়ে খাইনি ভালো দামের আশায়। আমার ভাই মোতাহার সরদার ছাড়া এলাকায় আমার কোনো শত্রু নেই। সে ছাড়া এমন কাজ আর কেউ করতে পারে না। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করে মোতাহার সরদার বলেন, মোতালেব সরদার আমার ভাই। তার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে আমার শত্রুতা আছে একথা ঠিক। কিন্তু তার পুকুরের মাছ কীভাবে মরল সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

এ বিষয়টি নিয়ে পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, থানায় অভিযোগ হয়ে থাকলে তদন্ত করব, পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।