বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং, ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রজব, ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষদের স্বাবলম্বী হতে কবুতর ও কবুতরের ঘর ও শীতবস্ত্র বিতরণ

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মানুষদের স্বাবলম্বী হতে কবুতর ও কবুতরের ঘর ও শীতবস্ত্র বিতরণ

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের চরভয়রা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের স্বাবলম্বী হতে কবুতর ও কবুতরের ঘর ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসন মোঃ পারভেজ হাসান ।

বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারী ) “আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনা’র উপহার” প্রধানমন্ত্রী’র এ মানবিক উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীনরা পেয়েছেন পাকা ঘর। এ পরিবারগুলোর আর্থিক স্বচ্ছলতা ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দুপুরে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের ২০ টি পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে খাঁচাসহ দুই জোড়া করে কবুতর ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
কবুতর বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাছিবা খান , উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সবিতা সরকার , ডামুড্যা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ লিটন হাওলাদার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক বৃন্দ ।

আশ্রয়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগী কালু খান বলেন,বাড়ি ঘর ছিল না ডামুড্যা বাসা বাড়া থাকতাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে থাকার মত জায়গা সহ ঘর দিয়েছে, এখানে আসার পর কবুতর পালন করে প্রতি মাসে লাভবান হচ্ছি, পাশাপাশি শাকসবজির চাষ করে আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি, লাভের টাকায় ডিপোজিট করে টাকা রাখতে পারছি,ধন্যবাদ জানাই মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজকে জেলা প্রশাসক স্যার আমাদের কে কবুত ও কবুতরের ঘর ও শীতবস্ত্র দিয়েছেন, আমরা এই কবুতর পালন করে নিজেদের সাবলম্বী হতে পারবো।
আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার বয়স ৮০ উপরে আমার এই বয়সে অনেক সরকার দেখছি একমাত্র শেখহাসিনাই গরীব মানুষের জন্য ঘর করে দিয়েছে,অনেক মানুষের খারাপ কথা শুনেছিলাম বাড়িঘরছিল না বলে,শেখ হাছিনা আমাদের থাকার ঘর করে দিয়েছে জায়গায় দিয়েছে,আমরা শাকসবজি,ফল গাছ রোপন করে বাড়ির শাকসবজি ফলমূল খেতে পারি,এজন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই, আল্লাহ পাক যেন শেখ হাসিনাকে ভালো রাখেন।

এ সময়ে জেলাপ্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে শতভাগ নিরাপদ আশ্রয়ণের আওতায় আনতে মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী’র উদ্যোগ এ প্রকল্প। এর মাধ্যমে অসহায় মানুষ শুধু নিরাপদ বাসস্থানই পাননি, পেয়েছেন বেঁচে থাকার আত্মবিশ্বাস, এদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য জেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকে নানাবিধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে কৃষি প্রণোদনার আওতায় গাছের চারা, সবজি বীজ, সার অন্য প্রকল্প থেকে রিকশাভ্যান ও ছাগল দেয়া হচ্ছে।ভালো লাগে দেখেন কালু খান ২০ জোড়া কবুতর পালন করছেন,আমরা আপনাদের অনুপ্রানিত করতে আসি আবার অনুপ্রানিত হয়ে যাই।আশ্রয়ন প্রকল্পে আসলে ভালো লাগে যখন দেখি আপনারা সাবলম্বী হয়ে উঠছেন।আপনার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন।

আগে যারা ঠিকানাহীন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেন, তারা এক টুকরো জমিতে আপন ঠিকানা পেয়েছেন। প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর মানুষের জীবনযাপনের চিত্র দেখতে জেলা প্রশাসক ও ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের বাড়িঘর ঘুরে দেখেন।


error: Content is protected !!