শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২০ ইং, ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী
শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২০ ইং

জাজিরায় প্রকাশ্যে গৃহবধু নির্যাতনের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী, বিচার নিয়ে তালবাহানা!

জাজিরায় প্রকাশ্যে গৃহবধু নির্যাতনের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী, বিচার নিয়ে তালবাহানা!
জাজিরায় প্রকাশ্যে গৃহবধু নির্যাতনের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী, বিচার নিয়ে তালবাহানা!

শরীয়তপুরের জাজিরায় প্রকাশ্যে গৃহবধু নির্যাতনের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী, বিচার নিয়ে চলছে তালবাহানা! এলাকাবাসী বলছেন হারিয়ে যাচ্ছে মানবতা! ন্যায়বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও হচ্ছেনা সমাধান ! ইস্যু হয়ে দারিয়েছে করোনা ভাইরাস।
শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলাধীন নাওডোবা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গফুর মোড়লের কান্দির চানমিয়া খলিফার বড় ছেলে মোঃ রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসনা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে প্রকাশ্েয নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী। গ্রামের সালিশগণ এ নির্যাতনের ঘটনার সঠিক ন্যায়বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গৃহবধুর ঐ পরিবারকে আইনের সাহায্য নেয়া থেকে বিরত রাখে। ন্যয়বিচার করবে তো দুরের কথা, বিচার নিয়ে চলছে নানা তালবাহানা!

নির্যাতিতা রোকসোনা বেগমের স্বামী রাজা মিয়া খলিফাকে জমি সংক্রান্ত জেরে বিভিন্ন সময় মারধরের হুমকি দিয়ে আসছিল একই এলাকার হত্যা মামলার আসামী চোকদার কান্দি গ্রামের মৃত্যু জহের চোকদার আহম্মেদের ছেলে আ: রশিদ চোকদার।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, রাজামিয়া রশিদ চোকদারকে জমি দিবে না বলে, রশিদ চোকদারের ভাড়াটিয়া বাহিনী রাজামিয়াকে বাড়িতে না পেয়ে তার স্ত্রীকে নদীর পাড়ে ফেলে প্রকাশশ্যে মারধর ও নির্যাতন করে। যা এলাকার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং বর্বরতার যুগকেও হার মানায়। এর সঠিক বিচার না হলে, দেশে ন্যয়বিচার বলে কিছু থাকে না। মাতবররা ই বিচার নিয়ে তালবাহানা শুরু করছে! আইনী পদক্ষেপ হলে, সঠিক বিচার আশা করা যায়। গত ২ মে শনিবার নির্যাতনের এমন ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়। তবুও মিলেনি সুষ্ঠ সমাধান।

ঘটনার বিষয়ে নির্যাতিতা রোকসনার পরিবার জানান, রাজামিয়ার বাড়ির পাশের একটি পুকুরসহ কিছু জমি দখল করার জন্য নানান ভাবে চেষ্টা করেন রশিদ চোকদার এবং বাড়ীতে সন্ত্রাসীদের ভাড়াকরে এনে রাখে রশিদ চোকদার। তাদের নিয়ে জমি দখল করতে গেলে রাজামিয়ার স্ত্রী রোকসনা আক্তার বাধাদিলে তাকে বলে এ জমি টুকু আমার দরকার। এ জমির জন্য আমি অনেককে ম্যানেজ করতে হয়েছে। আমার অনেক টাকা খরচ হইছে এর পিছনে। এবং মেরে ফেলার হুমকিও দেন রশিদ চোকদার।

ঘটনার বিষয়ে নির্যাতিত রোকসনা বেগম বলেন গত ২ মে শনিবার আমার স্বামী বাড়িতে না থাকায় আমাকে একা পেয়ে বেধম মারধর করেন রশিদ চোকদার, তার স্ত্রী রিনা বেগম, তার মেয়ে রুনা বেগম, দাদন মাদবরের স্ত্রী এলাচি বেগম, তার ছেলে রাকিব ও রশিদ চোকাদারের ভাড়াটিয়া বাহিনীর ১৪/১৫ জন। তারা আমাকে মারতে মারতে বাড়ী থেকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায় এবং বলে তোকে আজ পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলব, কে আমার বিচার করবে দেখব আমি ।

চিৎকারের শব্দপেয়ে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলেও লাঠি সোটাদিয়ে তাদেরকেও মারতে দৌড়ে আসে রশিদ বাহিনীর লোকজন। স্থানীয়দের ধেয়ে আশা দেখে পালিয়ে যায় রশিদের ভাড়াটিয়া বাহিনীরা।

ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, নদীর পাড়ে চিৎকার শুনে আমরা এলাকাবাসী ছুটে আসলে একদল সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়, নদীর পাড়ে বেহুশ হয়ে পড়ে থাকা রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসনা বেগম কে দেখে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। এই ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত রশিদ চোকদার এর এখনো কোন বিচার হয়নি । আমরা এর সঠিক বিচার চাই। আমাদের সমাজের মুরুব্বিগণ, বিল্লাল মোড়ল, লুৎফর মোড়ল, হারুন মোড়ল, রাজ্জাক বেপারী, গোলাম চোকদার, ও রশিদ চোকদার বিচারের ভার নেয় কিন্তু বিচার করবে তো দুরের কথা বলছে নানান কথা ও করছে তালবাহানা।

রোকসোনার স্বামী রাজা মিয়া বলেন, আমি এলাকায় একা বলে, রশিদ চোকদার আমার জমি জোর করে কিনতে চায়। আমি আমার প্রয়োজনীয় সামান্য জমি রশিদকে দিতে চাইনি বলে আমাকে না পেয়ে রশিদ চোকদার ও পরিবারের লোকজন এবং তার বাহিনী আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলার জন্য নির্যাতন চালায়। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

স্থানীয় সালিশগণ বলেন, আমরা বিচারের ভার নিয়েছি এবং উপযুক্ত বিচার করবো কিন্তু করোনার কারনে সালিশে বসতে হিমশিম খাচ্ছি। এজন্য তারিখ পিছিয়ে দিয়েছি। নির্যাতনের শিকার রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসোনার চিকিৎসার জন্য রশিদ চোকদারের থেকে কিছু অর্থেরও ব্যবস্থা করেছি।

অভিযুক্ত রশিদ চোকদার বলেন, আমি ঘটনার সময় ছিলাম না। আমার পরিবার ও রোকসোনার মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়েছে। এজন্য আমি রোকসোনার চিকিৎসার জন্য টাকাও দিয়েছি। এলাকাবাসী জানে, ওরা কেমন আর আমরা কেমন!

ঘটনাটির সত্যতার চিত্রে ফুটে আশে এদের এমন অত্যাচারের কাহিনী নাওডোবাবাসি সকলেই অবগত আছে এবং তাদের বিরুদ্ধে জাজিরা থানায় আছে নানান অভিযোগও। তাৎক্ষণিক অপকর্ম, নির্যাতন ও দুর্ঘটনা ঘটানোর জন্য আছে তাহার বাড়াটিয়া বাহিনী। অন্যের জমি দখলে ব্যবহার করেন তার এই বাহিনী। তেমনিভাবে প্রাননাশের পায়তারায় ঘটনার স্বীকার হলো খেটে খাওয়া দিন মজুর রাজামিয়ার স্ত্রী রোকসনা বেগম।
শরীয়তপুরের জাজিরায় প্রকাশ্েয গৃহবধু নির্যাতনের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী, বিচার নিয়ে চলছে তালবাহানা! এলাকাবাসী বলছেন হারিয়ে যাচ্ছে মানবতা! ন্যায়বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও হচ্ছেনা সমাধান ! ইস্যু হয়ে দারিয়েছে করোনা ভাইরাস।

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলাধীন নাওডোবা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গফুর মোড়লের কান্দির চানমিয়া খলিফার বড় ছেলে মোঃ রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসনা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে প্রকাশ্েয নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী। গ্রামের সালিশগণ এ নির্যাতনের ঘটনার সঠিক ন্যায়বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গৃহবধুর ঐ পরিবারকে আইনের সাহায্য নেয়া থেকে বিরত রাখে। ন্যয়বিচার করবে তো দুরের কথা, বিচার নিয়ে চলছে নানা তালবাহানা!

নির্যাতিতা রোকসোনা বেগমের স্বামী রাজা মিয়া খলিফাকে জমি সংক্রান্ত জেরে বিভিন্ন সময় মারধরের হুমকি দিয়ে আসছিল একই এলাকার হত্যা মামলার আসামী চোকদার কান্দি গ্রামের মৃত্যু জহের চোকদার আহম্মেদের ছেলে আ: রশিদ চোকদার।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, রাজামিয়া রশিদ চোকদারকে জমি দিবে না বলে, রশিদ চোকদারের ভাড়াটিয়া বাহিনী রাজামিয়াকে বাড়িতে না পেয়ে তার স্ত্রীকে নদীর পাড়ে ফেলে প্রকাশ্েয মারধর ও নির্যাতন করে। যা এলাকার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং বর্বরতার যুগকেও হার মানায়। এর সঠিক বিচার না হলে, দেশে ন্যয়বিচার বলে কিছু থাকে না। মাতবররা ই বিচার নিয়ে তালবাহানা শুরু করছে! আইনী পদক্ষেপ হলে, সঠিক বিচার আশা করা যায়। গত ২ মে শনিবার নির্যাতনের এমন ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়। তবুও মিলেনি সুষ্ঠ সমাধান।

ঘটনার বিষয়ে নির্যাতিতা রোকসনার পরিবার জানান, রাজামিয়ার বাড়ির পাশের একটি পুকুরসহ কিছু জমি দখল করার জন্য নানান ভাবে চেষ্টা করেন রশিদ চোকদার এবং বাড়ীতে সন্ত্রাসীদের ভাড়াকরে এনে রাখে রশিদ চোকদার। তাদের নিয়ে জমি দখল করতে গেলে রাজামিয়ার স্ত্রী রোকসনা আক্তার বাধাদিলে তাকে বলে এ জমি টুকু আমার দরকার। এ জমির জন্য আমি অনেককে ম্যানেজ করতে হয়েছে। আমার অনেক টাকা খরচ হইছে এর পিছনে। এবং মেরে ফেলার হুমকিও দেন রশিদ চোকদার।

ঘটনার বিষয়ে নির্যাতিত রোকসনা বেগম বলেন গত ২ মে শনিবার আমার স্বামী বাড়িতে না থাকায় আমাকে একা পেয়ে বেধম মারধর করেন রশিদ চোকদার, তার স্ত্রী রিনা বেগম, তার মেয়ে রুনা বেগম, দাদন মাদবরের স্ত্রী এলাচি বেগম, তার ছেলে রাকিব ও রশিদ চোকাদারের ভাড়াটিয়া বাহিনীর ১৪/১৫ জন। তারা আমাকে মারতে মারতে বাড়ী থেকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায় এবং বলে তোকে আজ পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলব, কে আমার বিচার করবে দেখব আমি ।

চিৎকারের শব্দপেয়ে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলেও লাঠি সোটাদিয়ে তাদেরকেও মারতে দৌড়ে আসে রশিদ বাহিনীর লোকজন। স্থানীয়দের ধেয়ে আশা দেখে পালিয়ে যায় রশিদের ভাড়াটিয়া বাহিনীরা।

ঘটনার বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, নদীর পাড়ে চিৎকার শুনে আমরা এলাকাবাসী ছুটে আসলে একদল সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়, নদীর পাড়ে বেহুশ হয়ে পড়ে থাকা রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসনা বেগম কে দেখে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। এই ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত রশিদ চোকদার এর এখনো কোন বিচার হয়নি । আমরা এর সঠিক বিচার চাই। আমাদের সমাজের মুরুব্বিগণ, বিল্লাল মোড়ল, লুৎফর মোড়ল, হারুন মোড়ল, রাজ্জাক বেপারী, গোলাম চোকদার, ও রশিদ চোকদার বিচারের ভার নেয় কিন্তু বিচার করবে তো দুরের কথা বলছে নানান কথা ও করছে তালবাহানা।

রোকসোনার স্বামী রাজা মিয়া বলেন, আমি এলাকায় একা বলে, রশিদ চোকদার আমার জমি জোর করে কিনতে চায়। আমি আমার প্রয়োজনীয় সামান্য জমি রশিদকে দিতে চাইনি বলে আমাকে না পেয়ে রশিদ চোকদার ও পরিবারের লোকজন এবং তার বাহিনী আমার স্ত্রীকে মেরে ফেলার জন্য নির্যাতন চালায়। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

স্থানীয় সালিশগণ বলেন, আমরা বিচারের ভার নিয়েছি এবং উপযুক্ত বিচার করবো কিন্তু করোনার কারনে সালিশে বসতে হিমশিম খাচ্ছি। এজন্য তারিখ পিছিয়ে দিয়েছি। নির্যাতনের শিকার রাজামিয়া খলিফার স্ত্রী রোকসোনার চিকিৎসার জন্য রশিদ চোকদারের থেকে কিছু অর্থেরও ব্যবস্থা করেছি।

অভিযুক্ত রশিদ চোকদার বলেন, আমি ঘটনার সময় ছিলাম না। আমার পরিবার ও রোকসোনার মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়েছে। এজন্য আমি রোকসোনার চিকিৎসার জন্য টাকাও দিয়েছি। এলাকাবাসী জানে, ওরা কেমন আর আমরা কেমন!

ঘটনাটির সত্যতার চিত্রে ফুটে আশে, হামলার ঘটনার ১৬ দিন পেড়িয়ে গেলো মিলেনি সুষ্ঠ সমাধান ! হয়নি থানা পর্যায় একটি অভিযোগ ও । এদের এমন অত্যাচারের কাহিনী নাওডোবাবাসি সকলেই অবগত আছে এবং তাদের বিরুদ্ধে জাজিরা থানায় আছে নানান অভিযোগও। তাৎক্ষণিক অপকর্ম, নির্যাতন ও দুর্ঘটনা ঘটানোর জন্য আছে তাহার বাড়াটিয়া বাহিনী। অন্যের জমি দখলে ব্যবহার করেন তার এই বাহিনী। তেমনিভাবে প্রাননাশের পায়তারায় ঘটনার স্বীকার হলো খেটে খাওয়া দিন মজুর রাজামিয়ার স্ত্রী রোকসনা বেগম।