রবিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ ইং, ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
রবিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ ইং

শরীয়তপুরে ইলিশ ধরার অপরাধে ৭৩ জেলের কারাদণ্ড

শরীয়তপুরে ইলিশ ধরার অপরাধে ৭৩ জেলের কারাদণ্ড

শরীয়তপুরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরার অপরাধে ৭৩ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর শরীয়তপুরের জাজিরা, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক ও জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬৪ জনকে এক মাস এবং নয় জনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া, নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আল নাফিস। পরে পুলিশ তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠায়।

জেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে গত নয় দিনে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র‌্যাব নদীতে ১০২টি যৌথ অভিযান চালিয়েছে। এ সময় ২৭টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২৩৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও দুই লাখ ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোট মামলা হয়েছে ২৯৭টি। ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। মোট ৪৫৬ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করে বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি বোট ও একটি ট্রলার আটক করা হয়েছে।

ইউএনও তানভীর আল নাসিফ দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে ২২ দিনের জন্য নদ-নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। ভেদরগঞ্জ অঞ্চলে ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র বেশি। এ কারণে ভেদরগঞ্জ নদ-নদীর দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জেলেদের হামলার পর থেকে আরও কঠোর নিরাপত্তায় অভিযান পরিচালনা হচ্ছে। নদীতে মাছ ধরতে গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া দৈনিক রুদ্রবার্তাকে জানান, পদ্মা নদীতে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলেরা মাছ শিকার করছেন। এমন তথ্য পাওয়ার পর আমরা উপজেলা প্রশাসন ৫৫ জন জেলেকে আটক করে, ৫১ জনকে জেল ও চার জনকে পাঁচ হাজার করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।