বৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং, ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পালেচর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড কাথরিয়া মহন ফকিরের কান্দি গ্রামের বসরত আলমগীর মাদবরের ”স্ত্রী,,চায়না বেগম ও একই এলাকার হানিফা বেপারীর ছেলে জামাল বেপারীর সাথে দীর্ঘ দিনের পরকীয়া ঘটনা হাতেনাতে ধারায় এলাকার কিছু নিরীহ লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ উঠেছে চায়না বেগম ও জামাল বেপারীর বিরুদ্ধ ।

জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার পালের চর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড মহন ফকির কান্দির গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরকীয়া লিপ্ত প্রেমিক আহত জামাল ও চায়না বেগম বাদী হয়ে জাজিরা থানায় ৫ – ৬ কে আসামি করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আমির হোসেন মাদবর, বাচ্চু মাদবর, লাল মিয়া বেপারী, ফজলু ফকির ও নাজির তালুকদার।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের কাথরিয়া মহন ফকির কান্দি গ্রামের আলমগীর মাদবর দীর্ঘ সময় ঢাকা থাকেন,সেই সুজুগে তার স্ত্রী চায়না বেগম সাথে একই এলাকায় হানিফ বেপারীর ছেলে জামাল বেপারী প্রায় তার বাসায় জাতায়েত করতে থাকেন এবং তাদের মধ্যে সন্ধহ জনক মেলামেসার উপলদ্ধী করেন ওই গ্রাম বাসী। এলাকার যুবসমাজ নষ্ট হয়বলে উতপেতে থাকেন এলকার যুবক ছেলেরা, এমতো অবস্থায় গভীর রাতে হাতেনাতে ধরাপরে চয়না বেগম ও জামাল বেপারী। এলাকার যবক ছেলেরা মুরুব্বিদের কাছে তাদের তুলে দেয়,একপর্যায়ে মুরুব্বি সহ এলাকার মেম্বার শাহালম ফরাজি বিষয়টি মিট করে দেয়। কিন্তু চোরের মায়ের বড়ো গলা, উল্টো পরকীয়া লিপ্ত চায়না ও জামাল মিথ্যা মামলা করে হয়রানি অভিযোগ করছেন মিথ্যা মামলা শিকার ওই নিরীহ পরিবার গুলো এবং পুলিশ প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু তদন্তের মধ্যোমে মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চান তারা।

এদিকে গৃহবধূ চায়না বেগম জানান, আমার সাথে কোন পরকীয়ার সম্পর্ক নেই। সে আমার ভাই, একই এলাকায় বসবাস, আমাদের বাড়ির পাশদিয়ে তাদের পথ,এখন দিয়ে জামাল বেপারী জাতায়েত করেন এবং আমাদের বাসায় টেলিভিশন দেখতে দুইবার আসেন, কিন্তু এটাকে তারা বানিয়ে নানান গুজব ছড়াচ্ছেন,তাই আমি আইনের সহযোগিতা নিয়েছি।

জাজিরা থানার ওসি মাহাবুব রহমান জানান, ঘটনার একটি পক্ষ অভিযোগ করছে,  পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রাখছেন, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।