বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী
বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ ইং

নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিললো শিক্ষক দম্পতির অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মুরছালিনের লাশ

নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিললো শিক্ষক দম্পতির অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মুরছালিনের লাশ

বন্ধুদের সাথে নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ শিক্ষক দম্পতির ছেলে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মুরছালিন(১৩) এর লাশ নিখোঁজের একদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

শরীয়তপুরের জাজিরায় শনিবার ৩সেপ্টেম্বর বিকাল পাঁচটার সময় পদ্মানদী থেকে শফিক কাজীর মোড় হয়ে কাজীরহাটমূখী কীর্তিনাশা নদীর জাজিরা পৌরসভায় অবস্থিত পুরাতন লঞ্চঘাট এলাকার অদূরে বয়াতি কান্দি এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা লাশটি পায়।

প্রত্যক্ষদর্শী খলিলুর রহমান জানান, আমরা প্রথমে মুরছালিনের লাশ নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখে জাজিরা থানায় খবর দিলে থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এরপর স্থানীয়দের সহযোগীতায় লাশটি নদী থেকে উঠিয়ে উপরে নিয়ে আসা হয়।

জাজিরা থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদুল জানান, আমরা খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি নদী থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসি। আপাতত লাশটি পোস্টমর্টেম ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমরা খবর পেয়ে সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। যেহেতু কারও প্রতি পরিবারের কোন অভিযোগ নেই তাই লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্যঃ এর আগে শুক্রবার বেলা এগারোটার সময় বন্ধুদের সাথে নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিক্ষক দম্পতি মজিবুর রহমান ও হাফসা আক্তারের একমাত্র ছেলে মুরছালিন(১৩)।

পরে স্থানীয়রা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত অবিজ্ঞ ডুবুরিদল এসে দুইদিন পর্যন্ত নদীতে নিখোঁজ মুরছালিনকে খোজাখুজি করে। কিন্তু শনিবার বেলা দুইটা পর্যন্ত কোন খোজ না পাওয়ায় উদ্ধার অভিযান শেষ করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরে লাশটি এমনিতেই নদীতে ভেসে ওঠে।


error: Content is protected !!