বৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং, ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং

নড়িয়ার চামটা বিজয়ী সমর্থকের হামলায় পরাজিত সমর্থক গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে

নড়িয়ার চামটা বিজয়ী সমর্থকের হামলায় পরাজিত সমর্থক গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে

শরীয়তপুর নড়িয়ায় চামটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী নিজাম রাড়ির সমর্থকের হামলায় সোহরাব মাঝি নামের এক প্রবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার সন্ধ্যায় চামটা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুরান দিনারা হাটে এ হামলা হয়েছে। আহত সোহরাব মাঝি(৩৫)চামটা গ্রামের মৃত আঃ জলিল মাঝির ছেলে। আহত সোহরাবকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোববার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের ক্যাজুলিটি বিভাগে তিনি ভর্তি রয়েছেন। আহত সোহরাব মাঝি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় তিনি পুরান দিনারা হাট থেকে বাড়ি যাচ্ছিলেন। ওই সময়ে চেয়ারম্যান নিজাম রাড়ির ভাই বাবুল রাড়ির নির্দেশে এই হামলা হয়েছে। তিনি নির্বাচনে নিজ এলাকার প্রার্থী সুজন মৃধাকে সমর্থন করায় হামলা হয় বলে ধারনা করছেন। সোহরাব বলেন, তিনি দুবাই থাকতেন। নির্বাচনের আগে সেখান থেকে ফিরে লিবিয়া যান। দেশে ফিরলেও ফের তার দুবাই ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাবুল রাড়ির নির্দেশে ও সাদ্দাম রাড়ির নেতৃত্বে সজীব রাড়ি, শামীম রাড়ি, সামীর রাড়ি, সাইমুন রাড়ি, রিফাত রাড়ি, হৃদয় দপ্তরি, রায়হান বেপারি, আল আমিন ঢালি, রাব্বি বেপারি, নয়ন সরদার, লিমন দপ্তরি ও রাসেল মাঝিসহ আরও ৮ থেকে ১০ জন হামলায় অংশ নেয়। আহত ব্যক্তির ভাই বিল্লল মাঝি বলেন, তার ভাইয়ের অবস্থা খারাপ হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা রেফার করেছে। মাথায়, পাজরে, ঘাড়ে ও চোখে গভীর ক্ষত রয়েছে বলে চিকিতসকেরা জানিয়েছেন। আমরা হামলাকারিদের বিচার চাই।

চামটা ইউনিয়ন পরিষদের বিজয়ী চেয়ারম্যান নিজাম রাড়ি দাবি করেন, তিনি এই হামলার বিষয়ে কিছু জানেন না। অবশ্য নড়িয়া থানার ওসি অবনী শঙ্কর কর জানিয়েছেন, হামলার অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে হামলার সত্যতা পেয়ে মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মামলায় আহত সোহরাব মাঝির স্ত্রী বাদি হয়েছেন।