সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং

গেজেট হাইকোর্টে স্থগিত, শরীয়তপুরে ডিঙ্গামানিক ইউপিতে চেয়ারম্যান পদের

গেজেট হাইকোর্টে স্থগিত, শরীয়তপুরে ডিঙ্গামানিক ইউপিতে চেয়ারম্যান পদের

গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশে স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ইউনিয়নটির ৩নং কেন্দ্রে ভোটের ফলাফল ২ রকম কেন? তাই ফলাফল কেন বাতিল হবে না মর্মে রুল জারি করে নির্বাচন কমিশনারকে প্রতিবেদনসহ জবাব দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিভাগের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
উল্লেখ্য যে, গত ৫ই জানুয়ারি ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান অভিযোগ করেন, ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে স্বাক্ষরিত ফলাফলের কাগজে ব্যাপক অনিয়ম করে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটানিং কর্মকর্তা। যেখানে ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয়েছে শতভাগ। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে পূর্বের ফলাফল সংশোধন করে বেসরকারী ভাবে প্রার্থীর নাম বিজয়ী ঘোষনা করেন রিটানিং কর্মকর্তা।
এনিয়ে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান হাইকোর্ট ডিভিশনে (১৩ জানুয়ারী) একটি রিট দাখিল করেন। রিট নাম্বার:- ১৯৮৩/২০২২। গতকাল বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট ৮ জনের উপর রুল জারি করে আদেশ দেন। বাদী পক্ষের মামলাটি পরিচালনা করেন ব্যারিষ্টার ইলিয়াস হোসেন কচি।
ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও পরাজিত আনারস প্রতিকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, শতভাগ ভোটকান্ড ঘটিয়ে নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্তরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের প্রছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করেছেন। আমি নির্বাচন পরবর্তী এনিয়ে সাংবাদ সম্মেলন করে পূণরায় ভোট গ্রহনের দাবী জানিয়ে ছিলাম নির্বাচন কমিশনকে। এছাড়া নির্বাচনী বিধি ভঙের দায়ে ৩নং দেওজুরী কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পিজাইডিং কর্মকর্তাকেও শোকজ করা হয়েছে। তাই আমি আমার ইউনিয়নে ফলাফল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে অভিযোগ করেছি, আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছে এবং ৪ সপ্তাহে মধ্যে নিবাচনে সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আমি আমার ইউনিয়নের আঠারো হাজার ভোটারের দাবী নিয়ে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি।
এবিষয়ে জেলা নির্বাচন অফিসার শেখ জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদালত থেকে কোন নির্দেশনা এসে পৌছায় নাই। আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।