জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের ছয় উপজেলায় মিছিল, সমাবেশ ও আলোচনা সভা করেছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক কর্মসূচি পালন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, দলীয় নেতা এবং বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন কালু। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব আলম তালুকদার, সহসভাপতি শাহ আবদুস ছালাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক মোল্লা, মহিউদ্দিন বাদল, কৃষক দলের সভাপতি হারুন অর রশীদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল কবির মৃধা, সাবেক ভিপি ও যুবদল নেতা বাদল, সদর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান ঢালী এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
নড়িয়া উপজেলায় সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পৌরশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরণ। এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন।
জাজিরা উপজেলায় দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
অন্যদিকে, ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট উপজেলায় পৃথক মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দীন আহমেদ অপু।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নিতে জড়ো হন। মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে তাঁরা দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।
জেলার ছয় উপজেলায় একযোগে এসব কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়।




মন্তব্য করুন