সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরী
সোমবার, ২৩শে মে, ২০২২ ইং
জাজিরা সোনা মিয়া ফকির হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা বৃদ্ধ সোনা মিয়া ফকির হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় লোকজন। মঙ্গলবার (১০মে) সকাল ১১ টায় জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের সামনে এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন নিহত সোনামিয়া ফকিরের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে সহ এলাকাবাসী।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন জাজিরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ব আড়াচন্ডি গ্রামের বাসিন্দা সোনা মিয়া ফকির। হাসপাতালে ভর্তি থাকাবস্থায় নিখোঁজের চারদিন পর গত বছরের ২১ আগষ্ঠ হাসপাতালের পাশের ডোবা থেকে সোনা মিয়া ফকিরের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও চার্জশিট দেয়নি পুলিশ।
দ্রুত মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে খুনিদের আইনের আওতায় আনার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
নিহতের ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, “আমার বাবাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। পুলিশ আমার বাবার হত্যাকান্ডের ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে না। আমার বাবার হত্যার বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি এক বছর হতে চললো কিন্তু কারো কাছে কোন সাহায্য পাইনি। মামলারও কোন অগ্রগতি নেই। আমি আমার বাবার হত্যাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করার বিচারের দাবী জানাই এবং তাদের কঠিন শাস্তি চাই।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জাজিরা পৌরসভার সোনা মিয়া ফকির (৭০) করোনা আক্রান্ত হলে স্বজনরা ২০২১ সালের ১২ আগষ্ট জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়। ১৭ আগষ্ট সকাল থেকে স্বজনরা সোনা মিয়া ফকিরকে খুজেঁ পাচ্ছিলেন না। কোথাও সন্ধান না পেয়ে জাজিরা থানায় সাধারন ডায়েরী করা হয়। এরপর তার সন্ধানের জন্য বিভিন্ন স্থানে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ এবং পোস্টার লাগানো হয়। পরবর্তিতে ২১ আগষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমান প্রাচীর ঘেসা একটি ডোবায় তার লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। নিখোঁজ সোনা মিয়ার স্বজনরা ওই মরদেহ শনাক্ত করেন। এরপর এই ঘটনায় নিহত সোনামিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে ২৬ আগষ্ট জাজিরা থানায় একটি অজ্ঞাতনামা মামলা দায়ের করেন।

এবিষয়ে, উক্ত মামলার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফরিদপুর এর পুলিশ পরিদর্শক ওলি মিয়া বলেন, এখনো কোন অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।