মঙ্গলবার, ৫ই জুলাই, ২০২২ ইং, ২১শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই জিলহজ্জ, ১৪৪৩ হিজরী
মঙ্গলবার, ৫ই জুলাই, ২০২২ ইং

মায়ের পরকিয়া প্রেম, মায়ের বিরুদ্ধে ছেলের মামলা

মায়ের পরকিয়া প্রেম, মায়ের বিরুদ্ধে ছেলের মামলা

নিজের পরকিয়া টিকিয়ে রাখতে প্রেমিক মোহসিন মোল্লার (২৫) কাছে নিজ মেয়ে মারুফা (১২) কে বিয়ে দিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী মিজানুর রহমানের স্ত্রী নার্গিস বেগম। মুহসিন মোল্লা ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার ভাওয়াল গ্রামের মাজেদ মোল্লার ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর সদর উপজেলার গৌরবর্দী গ্রামে।

সরেজমিনে জানা গেছে, গত ৭ বছর আগে স্ত্রী নার্গিস বেগম ও ৪ বছরের শিশুকণ্যা মারুফাকে রেখে প্রবাসে চলে যায় মিজানুর রহমান। গুনতে গুনতে চলে যায় ৮টি বছর। অন্যদিকে মেয়ে বড় হতে চলেছে। স্থানীয় গৌরবদী হযরত খাদিজা রাঃ মহিলা মাদ্রাসায় কেতাবখানার ছাত্রী। মোহসিন মোল্লা স্থানীয় গৌরবর্দী গ্রামের মাতুব্বর বাড়ী গ্রামের মসজিদে ইমামতি করা অবস্থায় মাতুব্বর বাড়ীতে থাকাকালে প্রবাসী মিজানুর রহমানের বাসায় মাঝে মধ্যে খাবার খেতে যেত। সেই সুবাদে প্রবাসী মিজানুর রহমানের স্ত্রী নার্গিসের সাথে মোহসিন মোল্লার সখ্যতা গডে ওঠে। এমনকি শেষ পর্যন্ত সখ্যতা গিয়ে পরিনত হয় শারীরীক সম্পর্কে। আশেপাশের প্রতিবেশীরা বিষয়টিকেও ভালভাবে দেখছেনা। বিষয়টি নার্গিস বেগম আচ করতে পেরে সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েকে ওই প্রেমিক মুহসিন মোল্লার সাথে বিয়ে দেয়ার। তাতে সাপও মরবে, লাঠিও না ভাংবে। এক কথায় ‘এক ঢিলে দুই পাখি শিকার’ অর্থাৎ মেয়ের জামাইও হল আর তার শারিরীক চাহিদাও মিটাতে পারল। এমনটা ভেবে প্রবাসী স্বামিকে না জানিয়ে নার্গিস বেগম ৮ এপ্রিল ২০২১ইং তার কিশোরী মেয়েকে ব্যাংক একাউন্ট স্বাক্ষর লাগবে বলে ফুসলিয়ে ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার ভাওয়াল গ্রামে মোহসিন মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে নিকাহনামায় স্বাক্ষর করিয়ে তার সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেন। বিয়ের পর সেখানেই রাখা হয়।

এরপর বাড়িতে এসে মারুফাকে ওখানকার একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিয়েছে বলে জানান দেয়। ঘটনাটি আস্তে আস্তে প্রতিবেশীরা জানতে পারলে প্রবাসী মিজানুর রহমানের কাছে তারা জানান। এরপর বিষয়টি মিজানুর রহামান তার স্ত্রীর নিকট জানতে চাইলে তিনি তা অস্বিকার করেন। তিনি তা বিশ্বাস করেননা। কেননা এমন বড় একটি ঘটনা তার স্ত্রীর কোন কিছুতেই তার কাছে গোপন রাখবে না। এত বিশ্বাস করেন তার স্ত্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্রী নার্গিস বেগমকে। এ ব্যাপারে নাবালিকা শিশুর ভাই বাদি হয়ে মোহসিন মোল্লাকে ১ নং আসামী মা নার্গিস বেগমকে ২ নং আসামীসহ মোট ৬ জনেক আসামী করে সদর মডেল থানা মাদারীপুরে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৪০, তারিখ: ১৯.০৫.২০২২ইং।

এ ব্যাপারে বাদী রুবায়েত মাতুব্বরের কাছে জানতে চাইলে রুবায়েত জানান, মা হয়ে পিতার কাছে গোপন করে শিশু বোনকে বাল্য বিয়ের অপরাধে মায়ের বিরুদ্ধে মামলা দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি আদালতে নেয় বিচার প্রত্যাশা করছি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করছে মাদারীপুর মডেল থানা পুলিশ।


error: Content is protected !!