শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর কাঙ্খিত সেবা ও ওয়ার্ডটিকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সর্বাধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়তে চান সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সরদার। অধুনিক পয়নিস্কাশন ব্যবস্থা, আধুনিক খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, রাতের নিরাপত্তা জোরদার, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, চুরি-ডাকাতি বন্ধ করে ওয়ার্ডটিকে সর্বাধুনিক মডেল করার অঙ্গীকার করেছেন উদীয়মান তরুণ এই আওয়ামী লীগ নেতা।
বর্ষায় দ্রুত বৃষ্টির পানি অপসারণের জন্য নর্দমাসহ পরিকল্পিত ও প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা, বাড়ি নির্মাণে পৌরসভার প্ল্যান বাস্তবায়ন ও শিশুপার্ক স্থাপনে প্রতিশ্রুতিও রয়েছে তার। এ ছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুল ইসলাম সরদার।
শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নন্বর ওয়ার্ডটি জেলা শহরের একটি প্রশাসনিক ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডটিতে রয়েছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, হাসপাতাল, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, এলজিইডি, গণপূর্ত অধিদপ্তর, জেলা কারাগার, শিক্ষা অফিস, টিএনটি, বিদ্যুৎ অফিস, নির্বাচন অফিস সহ অসংখ্য সরকারী-বেসরকারী অফিস। এখানকার জনসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৮৯ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ হাজার ৭ জন এবং নারী ২ হাজার ৮২ জন। ওয়ার্ডটিতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তিনটি উচ্চ বিদ্যালয় ও ১৬ টি মসজিদ রয়েছে।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম সরদার বলেন, একটি উন্নত সমাজ গড়তে হলে তৃণমূল থেকেই যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন, যে নেতৃত্ব উন্নয়নের প্রতিটি সোপানে সমাজকে এগিয়ে দেয় কাঙ্খিত লক্ষ্যে। এ লক্ষ্যেই প্রতিবার ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনের ব্যবস্থা করে সরকার, যাতে তৃণমূলের সমস্যাগুলো কাউন্সিলররা তুলে ধরে এর সমাধানে সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন করতে পারেন। আমি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। বর্তমানে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা ইকবাল হোসেন অপু ভাইয়ের নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় আমি সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনগণ তাদের সেবা করার জন্য আমাকে মনোনিত করেছেন। আমি এলাকাবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই। জনগণ যদি আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে তাহলে আমি জনগণের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো এবং সুখে দুঃখে তাদের পাশে থেকে সেবা করে যাবো। এই ওয়ার্ডের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানে আমার জীবন দিয়ে হলেও চেষ্টা করবো। বর্ষা ও বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণের জন্য উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিকল্পিত ও প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা, বাড়ি নির্মাণে পৌরসভার প্ল্যান বাস্তবায়ন ও শিশুপার্ক স্থাপন করবো। এ ছাড়াও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যুবসমাজকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে, মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করবো।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ। মশা-মাছিসহ নানা ধরনের কীটপতঙ্গ এলাকাবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী। এখানকার অপরিকল্পিত ও অপ্রশস্ত রাস্তাঘাটে কোনো স্যুয়ারেজের ব্যবস্থা নেই। ব্যাটারী চালিত অবৈধ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বেশি থাকার কারণে সড়কে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা লেগেই থাকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বৃষ্টি হলেই অভ্যন্তরীণ কয়েকটি সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সেই পানি নামতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এ ওয়ার্ডে পৌরসভার কোনো কমিউনিটি সেন্টার ও শিশুপার্ক না থাকায় সমস্যায় পড়েছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা। ওয়ার্ডটিতে মাদকের আনাগোনা খুবই বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

মন্তব্য করুন