শরীয়তপুরের জাজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল-আমিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ৯ জানুয়ারি দুপুরে জাজিরা থানার তার বাসভবনে জানালার সঙ্গে মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


ওসি আল-আমিনের বাড়ি বরিশালের মুলাদি থানার কাচির চর এলাকায়। তিনি মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে। তার দুই মেয়ে সন্তান ও এক স্ত্রী রয়েছে। তিনি গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর জাজিরা থানায় যোগদান করেন।

পুলিশ ও পরিবার সুত্রে জানাযায়, ওসি আল আমিন বেশ কিছুদিন ধরে ডিপ্রেশনে ভুগতে ছিলো। আজ দুপুরে তার মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন সহকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ সুপারসহ অন্যান্যরা। পরে বিকালে সিআইডির ক্রাইমসিনের একটি এক্সপার্ট টিম এসে তার পরিবার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখনে তার মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় থেকে উদ্ধার করা হয়। লাশটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনার আসল কারণ ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।


ওসি আল আমিনের ভায়রা ভাই এডভোকেট আব্দুর রব বাবুল জানান, তার পরিবার থেকে এ মৃত্যু নিয়ে তাদের কোন অভিযোগ নেই। আমরা এসে তার বিচানায় ডিপ্রেশনের কিছু ওষুধ দেখতে পেয়েছে। তার কিছু দেনাপাওনা ছিলো, তবে পারিবারিক তাদের কোন কোলাহল ছিলো না। তবে এ নিয়ে এমন মৃত্যুকান্ড ঘটাবে তা কখনো কল্পনা করেতে পারি না।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অর্থ ও প্রশাসন) শেখ শরীফুজ্জামান জানান, ওসি আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনে ভুগছেন। দুপুরে আমরা অফিস করার সময় হঠাৎ জাজিরা থেকে ফোন আসে ওসির মরাদেহ ঝুলে আছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ইউএনওসহ আমরা ঘটনাস্থলে দ্রুত চলে আসি। এসে দেখি তার দেহ জানালার সাথে ঝুলে আছে।পরে সিআইডির ক্রাইমসিনের একটি এক্সপার্ট টিম এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

Facebook Comments Box