বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং, ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রজব, ১৪৪৪ হিজরী
বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ইং

পরিদর্শনে এসে সরিষার মাঝে হাড়িয়ে গেলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা

পরিদর্শনে এসে সরিষার মাঝে হাড়িয়ে গেলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা

কুয়াশার চাদরে মোড়ানো প্রকৃতি। চারদিকে বিরাজ করছে শীতের আমেজ। মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে সরিসা ফুলের হলুদের বিশাল সমারোহ। তাই সরিসা চাষিদের মুখে দেখা যাচ্ছে হাসি। এদিকে চলতি বছরে লাভজনক ফসল হিসাবে কৃষকরা সরিষা আবাদের দিকে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছে। গত দশ বছরর মধ্যে এবার মাদারীপুরের কালকিনিতে সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে।

এটি সরিষা আবাদে এ উপজেলায় রেকর্ড বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। গ্রামের পর গ্রামের মাঠ এখন সরিষার হলুদ ফুলে ভরা। আর কিছুদিন পরেই কৃষকরা আবাদ মাঠ থেকে ঘরে তুলতে শুরু করবেন । গত বছর সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা এখন এনিয়ে নতুন করে স্বপ্ন বুনছেন। তাদের আশা এবারও তারা ভালো দাম পাবেন। সরিষা আবাদে ভালো ফলনের আশায় এবার পতিত জমিও আবাদে ভরে উঠেছে। কৃষি বিভাগ বলছে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে সরিষা আবাদে কৃষকদের উৎসাহ ও প্রণোদনামূলক সার এবং বীজ দেওয়ায় কৃষকরা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এদিকে সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা ও কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ^াসসহ উপজেলা কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ^াস জানায় এ বছর উপজেলায় ৩হাজার ৭৬০হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এবছর ৪ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। যা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৬শ ২৫ হেক্টর বেশি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা বলেন, ‘ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে দেশীয় সরিষার আবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছে সরকার। ফলে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সার ও বীজ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এতে আগামী বছর ফসলটির চাষ আরও বাড়বে। এবং ভোজ্য তেলের আমদানীও কমবে।

 


error: Content is protected !!