শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
শুক্রবার, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

শরীয়তপুর মোবাইলের দোকান থেকে চুরি যাওয়া ১৬২টি মোবাইলের মধ্যে ৩০টি মোবাইল উদ্ধার

শরীয়তপুর মোবাইলের দোকান থেকে চুরি যাওয়া ১৬২টি মোবাইলের মধ্যে ৩০টি মোবাইল উদ্ধার

শরীয়তপুর শহরে একটি মোবাইলের দোকান থেকে চুরি হওয়া ১৬২টি মোবাইলের মধ্যে ৩০টি মোবাইল ও মোবাইল বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ওই চোর চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার এস.এম. আশরাফুজ্জামান পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার শোলা পুকুরিয়া গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন (৩০), চট্টগ্রাম জেলার কর্নফূলী থানার সিকল বাহার গ্রামের মৃত সমসের আলমের ছেলে আইয়ূব আলী (২৮), ফটিকছড়ি থানার দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে লোকমান (২৮), একই থানার রশিদাবাদ গ্রামের জালাল আহম্মেদের ছেলে মিজানুর রহমান (১৯), লোহাপাড়া থানার খলিফাপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (২৬), রাঙ্গুনিয়া থানার চন্দ্রগোনা মিশন গ্রামের কমল বৈধ্যর ছেলে তুষার বৈধ্য (২৫) ও হাটহাজারী থানার পশ্চিম দোলই গ্রামের ইসলাম তরফদারের ছেলে শাহবুদ্দিন বেলাল (২৫)।

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে শরীয়তপুর কারাগারে পাঠানো হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাতজনই চুরির দায় স্বীকার করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, চুরি হওয়া ১৬২ টি মোবাইলের মধ্যে ৩০ টি মোবাইল ও মোবাইল বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এতে জড়িত অন্য আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে বলে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এস.এম. আশরাফুজ্জামান বলেন, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬ টায় শরীয়তপুর শহরের পালং উত্তর বাজার সেমন্ত ঘোষের মর্ডান স্মাট গ্যালারী মোবাইলের দোকান থেকে তালা কেটে দোকান থেকে ১৬২টি মোবাইল সেট (যার মূল্য ২৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৮০ টাকা) চুরি করে নিয়ে যায় ওই চোর চক্র। এ ঘটনায় ঔইদিন সেমন্ত ঘোষ বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় একটি মামলা করেন। শরীয়তপুরের নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি সাইফুল আলমসহ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল গত ৩০ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন কৌশলে কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলা থেকে ওই সাতজন আসামীকে গ্রেফতার করে শরীয়তপুর জেলায় আনেন।

সংবাদ সম্মেলনে নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম মিজানুর রহমান, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হায়দার শাওন, গোসাইরহাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর আহমদ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি সাইফুল আলম, শরীয়তপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআইও-১ মো. আজহারুল ইসলাম, পালং মডেল থানার ওসি তদন্ত আতিকুর রহমান সহ জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।