
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন, সেজন্য তিনি আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ গড়তে চান। এজন্য তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবেন। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে শরীয়তপুরের আলুরবাজার ফেরীঘাট, চাঁদপুরের হরিণা ঘাট এবং চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে বন্যা, বর্ষা ও নদী ভাঙন মোকাবিলায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সর্বাত্মকভাবে কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শে করোনা মহামারীর এই প্রায় দুই বছরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল প্রকল্পের কাজ চলেছে। আমরা জীবনের ঝূঁকি নিয়ে সারাদেশে ঘুরে ঘুরে ভাঙন কবলিত পরিদর্শন করছি। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলমান আছে, পাশাপাশি নতুন প্রকল্পও হাতে নেয়া হয়েছে। এসব কাজের তদারকি করেছি। সারাদেশকে নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই এসব বিভিন্ন প্রকল্প করা হচ্ছে। আর প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙনের সমস্যা আর থাকবে না।
এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নকীব আল হাসান, ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির মোল্যা, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য জহির সিকদার, শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য এনায়েত উল্যাহ মুন্সী, চরসেনসাস ইউপি চেয়ারম্যান জিতু মিয়া বেপারী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নুর এ আলম আশিক সহ জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম আরও বলেন, সারাদেশের নদী ভাঙন মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুর জেলা (শহর, হরিসভা) কে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রকল্পের কাজ চলছে। তবে কাজের গুনগত মান যেনো ঠিক থাকে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সর্তকতার সাথে কাজ করতে হবে। আর কাজের ব্যাপারে কারও অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা
হবে না।