
শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ও এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিঃ হেল্থ এন্ড হাইজিন ফ্যাক্টরিতে কুমিল্লায় কর্মরত (সিনিয়র টেকনিশিয়ান, মেকানিক্যাল-এ) মোঃ হেলাল ঢালী সহ মোট ১০ জন কর্মীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩ ক্যাটাগরিতে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন মোঃ হেলাল ঢালী। ক্যাটাগরি গুলো হলো উদ্ভাবন, খরচ সঞ্চয় এবং প্রতিশ্রুতি।
এদিকে, এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় মোঃ হেলাল ঢালীকে এস এম সি এন্টারপ্রাইজ লিঃ হেল্থ এন্ড হাইজিন ফ্যাক্টরির কর্মীবৃন্দ সহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মোঃ হেলাল ঢালীও সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত মোঃ হেলাল ঢালী বলেন, দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর যাবৎ এস এম সি এন্টারপ্রাইজ লিঃ হেল্থ এন্ড হাইজিন ফ্যাক্টরিতে কর্মরত আছি। এসময় সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি। ভালো কাজের মূল্যায়ন পাওয়ায় আমি অনেক আনন্দিত। আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। একই সাথে প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা এবং সহকর্মী বৃন্দদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
উল্লেখ্য, কর্মীদের অসামান্য কর্মদক্ষতার জন্য স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এসএমসি এবং এসএমসি ইএল যৌথভাবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ০৬ তারিখে কোম্পানীর ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য হলো কোম্পানীর সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে যারা অসাধারণ কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করেছেন সেসকল কর্মীদের স্বীকৃতি প্রদান করা। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন এসএমসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এসএমসি ইএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহ উভয় কোম্পানীর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনাবৃন্দ।
এই বছর, অভিনব ও অসামান্য অবদানের জন্য এসএমসি এবং এসএমসি ইএল ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এস এম সি এন্টারপ্রাইজ লিঃ হেল্থ এন্ড হাইজিন ফ্যাক্টরিতে কর্মরত মোঃ হেলাল ঢালী সহ মোট ১০ জন কর্মীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
মূলত এই সম্মাননা চারটি ক্যাটেগরিতে প্রদান করা হয়: অর্জন, উদ্ভাবন, ব্যয় হ্রাস এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা। পুরষ্কারপ্রাপ্তদের প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক বাছাই করা হয় এবং পরবর্তীতে একটি নির্বাচন কমিটি দ্বারা সূক্ষ্মভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে মনোনীত করা হয়। এই স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র স্বতন্ত্র অর্জনকেই সাধুবাদ জানায়নি বরং অন্যান্য কর্মীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা, অপারেশনাল ম্যানেজমেন্টে উৎকর্ষতা আনা, ব্যয় হ্রাস করা এবং কোম্পানীর লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখতে একটি অনুপ্রেরণামূলক মাধ্যম হিসেবেও কাজ করে।